তা’মীরুল মিল্লাতের ৩০ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত দেশের অন্যতম শীর্ষ দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা পরীক্ষায় অসাধুপায় অবলম্বন ও উত্তরপত্রে কারচুপির (ট্যাম্পারিং) অভিযোগে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও একাডেমিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। সোমবার (০৩ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিশেষ নোটিশে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়। নোটিশে স্বাক্ষর করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. মো. হেফজুর রহমান এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ সালমান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিশু শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা, দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা এবং আলিম প্রথম বর্ষের সমাপনী পরীক্ষা-২০২৬ চলাকালে কয়েকজন শিক্ষার্থী উত্তরপত্রে কারচুপি এবং বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ তদন্ত পরিচালনা করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা

তা’মীরুল মিল্লাতের ৩০ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত দেশের অন্যতম শীর্ষ দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা পরীক্ষায় অসাধুপায় অবলম্বন ও উত্তরপত্রে কারচুপির (ট্যাম্পারিং) অভিযোগে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও একাডেমিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (০৩ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিশেষ নোটিশে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়। নোটিশে স্বাক্ষর করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. মো. হেফজুর রহমান এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ সালমান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিশু শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা, দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা এবং আলিম প্রথম বর্ষের সমাপনী পরীক্ষা-২০২৬ চলাকালে কয়েকজন শিক্ষার্থী উত্তরপত্রে কারচুপি এবং বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ তদন্ত পরিচালনা করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃত ৩০ শিক্ষার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ১২ জন আলিম প্রথম বর্ষের। এছাড়া সপ্তম শ্রেণির ৮ জন, অষ্টম শ্রেণির ৩ জন, নবম শ্রেণির ২ জন, দশম শ্রেণির ৩ জন এবং ষষ্ঠ শ্রেণির ২ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

বিষয়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রে সর্বাধিক ১১ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে উত্তরপত্রে কারচুপির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া আরবি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, আইসিটি (ICT), নাহু, বালাগাত-মানতিক, কুরআন, পৌরনীতি, ইতিহাস এবং বিজ্ঞান বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ের পরীক্ষাতেও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. মো. হেফজুর রহমান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সুনাম, শিক্ষার মান, পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং একাডেমিক শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় কোনো ধরনের জালিয়াতি বা অসাধুপায়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতেও ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করা হবে।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির এ পদক্ষেপকে পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে পরীক্ষায় অসাধুপায় অবলম্বন রোধে এ ধরনের কঠোর অবস্থান ইতিবাচক বার্তা দেবে বলেও মনে করছেন তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow