তারাগঞ্জে ৪৪৬ লিটার পেট্রোল জব্দ
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৪৪৬ লিটার পেট্রোল জব্দ করেছে প্রশাসন। বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে তারাগঞ্জ বাজার এলাকায় সন্দেহজনকভাবে চলাচলরত একটি অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে এসব পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজার এলাকায় একটি অটোরিকশায় তেলের ড্রাম দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোনাববর হোসেন পুলিশ ফোর্সের সহায়তায় অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন। এ সময় অটোরিকশাটি কুর্শা ইউনিয়নের শিয়ালডাঙ্গা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ সেটি আটক করে এবং পেট্রোলভর্তি দুটি ড্রাম উদ্ধার করে। সূত্র জানায়, উদ্ধার হওয়া পেট্রোল পার্বতীপুর উপজেলা থেকে তারাগঞ্জ হয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল। জব্দকৃত পেট্রোলের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫৭ হাজার টাকা। পরে জব্দকৃত পেট্রোল উপজেলার সোনালী পাম্পের ম্যানেজারের জিম্মায় রাখা হয় এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সময় অবৈধভাবে পেট্রোল পরিবহনের দায়ে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। এ বিষয়ে
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৪৪৬ লিটার পেট্রোল জব্দ করেছে প্রশাসন।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে তারাগঞ্জ বাজার এলাকায় সন্দেহজনকভাবে চলাচলরত একটি অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে এসব পেট্রোল উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজার এলাকায় একটি অটোরিকশায় তেলের ড্রাম দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোনাববর হোসেন পুলিশ ফোর্সের সহায়তায় অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন। এ সময় অটোরিকশাটি কুর্শা ইউনিয়নের শিয়ালডাঙ্গা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ সেটি আটক করে এবং পেট্রোলভর্তি দুটি ড্রাম উদ্ধার করে।
সূত্র জানায়, উদ্ধার হওয়া পেট্রোল পার্বতীপুর উপজেলা থেকে তারাগঞ্জ হয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল। জব্দকৃত পেট্রোলের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫৭ হাজার টাকা।
পরে জব্দকৃত পেট্রোল উপজেলার সোনালী পাম্পের ম্যানেজারের জিম্মায় রাখা হয় এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সময় অবৈধভাবে পেট্রোল পরিবহনের দায়ে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
এ বিষয়ে ইউএনও মো. মোনাববর হোসেন বলেন, পেট্রোল পাচারের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?