তারেক রহমানের কাছে ভাই হত্যার বিচার দাবি
ভাইকে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে এসে নিজেই মামলার আসামি হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহজাহান সিরাজী। এখনো তাকে ওই মামলায় হাজিরা দিতে হচ্ছে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তার ভাই ফাজিলপুর ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি ও জেলা যুবদলের সদস্য সারোয়ার হোসেনকে (৩৩) বাড়ি ঘেরাও করে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় তিনি শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে সুবিচার দাবি করেন।
জানা যায়, বিগত গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ কর্তৃক গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভায় গুম ও খুন হওয়া পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তারেক রহমান কথা বলেন। এতে উপস্থিত ছিলেন ফেনীতে নিহত যুবদল নেতা সরোয়ার জাহানের বড় ভাই ও ফাজিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহজাহান সিরাজী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহজাহান সিরাজী কালবেলাকে জানান, ঘটনার দিন ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট। ওই দিন সরোয়ার আমার
ভাইকে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে এসে নিজেই মামলার আসামি হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহজাহান সিরাজী। এখনো তাকে ওই মামলায় হাজিরা দিতে হচ্ছে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তার ভাই ফাজিলপুর ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি ও জেলা যুবদলের সদস্য সারোয়ার হোসেনকে (৩৩) বাড়ি ঘেরাও করে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় তিনি শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে সুবিচার দাবি করেন।
জানা যায়, বিগত গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ কর্তৃক গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভায় গুম ও খুন হওয়া পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তারেক রহমান কথা বলেন। এতে উপস্থিত ছিলেন ফেনীতে নিহত যুবদল নেতা সরোয়ার জাহানের বড় ভাই ও ফাজিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহজাহান সিরাজী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহজাহান সিরাজী কালবেলাকে জানান, ঘটনার দিন ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট। ওই দিন সরোয়ার আমার বোনের বাড়িতে ছিল। খবর পেয়ে সরকার দলীয় ক্যাডাররা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ফেনীসহ বিভিন্ন জায়গায় থেকে লোক এনে ঘর ঘোরাও করে। আমার ভাই খবর পেয়ে পালাতে গিয়ে পায়ে গুলি নিয়ে পালিয়ে পাশের বাড়িতে চলে যায়। তারা সেখানে গিয়ে আমার ভাইকে পিটিয়ে, কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা নিশ্চিত করে রেখে যায়।
তিনি বলেন, আমাকে ভাইয়ের জানাজায় পর্যন্ত যেতে দেয়নি তারা। পরে ফেনীর তাকিয়া মসজিদ ও ফাজিলপুর ওয়ালিয়া মাদ্রাসায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে বাধা সত্ত্বেও বর্তমান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার ও সদর বিএনপির সভাপতি মরহুম সৈয়দ মিজান এবং রুহুল আমিন চেয়ারম্যান অংশ নেন।
শাহজাহান বলেন, পরে ভাইকে হত্যার মামলা করার জন্য মডেল থানায় আসলে তৎকালীন ওসি আমিনুল ইসলাম উল্টো আমাকে হুমকি-ধমকি প্রদান করে। ওসি আমিনুলের প্রত্যক্ষ মদদে এএসআই আবদুর রশীদ বাদী হয়ে আমাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ে করে। এখনো সেই মামলা চলমান রয়েছে। আমি এখনো হাজিরা দিচ্ছি। তৎকালীন পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষের সঙ্গে দেখা করার জন্য বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই।
এ সময় তিনি ভাইয়ের হত্যার সঠিক তদন্ত দাবি করে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি কার্যকর করার জন্য তারেক রহমানের কাছে জোর দাবি জানান।
তারেক রহমান সিরাজীর উদ্দেশে বলেন, আপনার ভাই হত্যার সুবিচার পাবেন ইনশাআল্লাহ। দেশে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলিত একটি সরকার গঠন করা হলে তার ভাইয়ের আত্মদান বৃথা যাবে না।