তালা ভেঙে বের হলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না : মানসুরা আলম
তালা ভেঙে বের হলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ও ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা আলম। তার মতে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর মেয়েরা যতবারই ‘তালা ভেঙে বের হয়েছে’ ততবারই একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে ‘সার্ভ’ করেছে।
যেসব গোষ্ঠী নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সংকুচিত করতে চায়, তারা সেসব গোষ্ঠীর টার্গেট হবে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এমন মন্তব্য করেন মানসুরা আলম।
জুলাই একবারই এসেছিল উল্লেখ করে মানসুরা আলম লিখেন, ‘মেয়েদের হলের তালা ভেঙে আসা বাঁধভাংগা জোয়ারকে সাপোর্ট দিয়েছিলো সারাদেশের মানুষ। কারণ সেটি ছিলো দীর্ঘদিনের এক নিষ্পেশনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো।’
তবে জুলাই অভ্যুত্থানের পর যতবার ‘তালা ভেঙে’ বের হয়েছে, ততবারই নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে ‘সার্ভ’ করেছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
সংরক্ষিত নারী আসনের এ সদস্য লিখেন, ‘ব্যাপারটা এখন হাস্যকর পর্যায়ে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তালা ভেঙে বের হইলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না, তা এই মেয়েদের কেউ বুঝান।’
তার মতে, ‘দুইদিন পরেই উপলব্ধি করবে যে তাদের ব
তালা ভেঙে বের হলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ও ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা আলম। তার মতে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর মেয়েরা যতবারই ‘তালা ভেঙে বের হয়েছে’ ততবারই একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে ‘সার্ভ’ করেছে।
যেসব গোষ্ঠী নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সংকুচিত করতে চায়, তারা সেসব গোষ্ঠীর টার্গেট হবে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এমন মন্তব্য করেন মানসুরা আলম।
জুলাই একবারই এসেছিল উল্লেখ করে মানসুরা আলম লিখেন, ‘মেয়েদের হলের তালা ভেঙে আসা বাঁধভাংগা জোয়ারকে সাপোর্ট দিয়েছিলো সারাদেশের মানুষ। কারণ সেটি ছিলো দীর্ঘদিনের এক নিষ্পেশনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো।’
তবে জুলাই অভ্যুত্থানের পর যতবার ‘তালা ভেঙে’ বের হয়েছে, ততবারই নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে ‘সার্ভ’ করেছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
সংরক্ষিত নারী আসনের এ সদস্য লিখেন, ‘ব্যাপারটা এখন হাস্যকর পর্যায়ে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তালা ভেঙে বের হইলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না, তা এই মেয়েদের কেউ বুঝান।’
তার মতে, ‘দুইদিন পরেই উপলব্ধি করবে যে তাদের ব্যবহার করা হয়েছিলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেও করে সে উপলব্ধি এখন।’
রাজনীতিতে মেয়েদের কেন অংশগ্রহণ নেই এমন প্রশ্ন রেখে স্ট্যাটাসে ছাত্রদলের এ নেত্রী বলেন, ‘কেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী নমিনেশন পান না, সেই মাইন্ডসেট জানতে এই তালাভাঙ্গা পার্টিকে দেখতে হবে। কি চায় নিজেও জানে না, কিন্তু আরেকজন কেন এম্পাওয়ার্ড হবে সেটা আটকাইতে হবে।’
বরাবরের মতোই যে গোষ্ঠীটি নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সংকুচিত করতে চায় তারা সেসব সংস্থার টার্গেট হবে বলেও পোস্টে শঙ্কা প্রকাশ করেন।