তাহিরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, আহত ২

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহসানুল ইসলাম (১৭) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত আহসানুল উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের আলী রহমানের ছেলে। একই গ্রামের তাজ ইসলামের ছেলে শিমুল মিয়া (২০) এবং আমজাদ হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (বাদাঘাট বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে) এই ঘটনায় আহত হয়েছেন। শিমুল মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে (সাজু মিয়ার বাড়ি) এই ঘটনা ঘটে।জানা গেছে, বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে কাজ করার সময় পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ মেইন লাইনে রড পড়ে যায়। এতে আহসানুল ইসলাম, শিমুল মিয়া ও দেলোয়ার হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন।এতে ঘটনাস্থলেই আহসানুলের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে বাদাঘাট বাজারে নিয়ে গেলে শিমুল মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। দেলোয়ার হোসেন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। এই ঘটনায়

তাহিরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, আহত ২

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহসানুল ইসলাম (১৭) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত আহসানুল উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের আলী রহমানের ছেলে। একই গ্রামের তাজ ইসলামের ছেলে শিমুল মিয়া (২০) এবং আমজাদ হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (বাদাঘাট বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে) এই ঘটনায় আহত হয়েছেন। শিমুল মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে (সাজু মিয়ার বাড়ি) এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে কাজ করার সময় পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ মেইন লাইনে রড পড়ে যায়। এতে আহসানুল ইসলাম, শিমুল মিয়া ও দেলোয়ার হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন।

এতে ঘটনাস্থলেই আহসানুলের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে বাদাঘাট বাজারে নিয়ে গেলে শিমুল মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। দেলোয়ার হোসেন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া জানান, আহসানুল এসএসসি পরীক্ষা শেষ করেছিল। তার এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া কষ্টকর।

বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজমুল ইসলাম জানিয়েছেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow