‘তিথির হাতের মেহেদী দেওয়া ছবিতে আলভী লেখা এআই জেনারেটেড’
তিথির হাতের মেহেদী দেওয়া ছবিতে আলভী লেখা এআই জেনারেটেড বলে দাবি করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া।
বুধবার (২৪ জুন) আদালতকে এ তথ্য জানান আলভী।
তিনি বলেন, আমি এমন একটা পরিস্থিতিতে আছি। শোক পালন করবো, নাকি কি করবো বুঝতে পারছি না। আমরা দুজনে ম্যাচিউর। প্রেম করে বিয়ে করেছি। আমাদের বিয়ের পর খুনসুটি ছিল, অভিমান ছিল, ঝগড়া ছিল। আমাদের সম্পর্ক ইস্মুথ ছিল। এমন কিছু ঘটেনি যে ইকরা আত্মহত্যা করবে।
আলভী আরও বলেন, আমি যেহেতু মিডিয়ায় কাজ করি। আমার শুভাকাঙ্খী ছাড়াও হেটার্স আছে। তারাই ইকরার মৃত্যুর পর আমাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়েছে। তিথির হাতের মেহেদী দেওয়া ছবিতে আলভী লেখা এআই জেনারেটেড। এখনো সেই ছবি আছে। আসল ছবিতে আলভী লেখা নেই।
তিনি আরও বলেন, আমি নাকি নেপালে গেছি ৬ টা নাটক করতে। আমার সঙ্গে অনেক মানুষ ছিল। এমন না যে আমি বার্থডে সেলিব্রেট করতে গেছি। আমার একটা সন্তান আছে সে তার মাকে হারিয়েছে। সে যতোই নানা নানী দাদা দাদীর কাছে থাক। তার বাবা প্রয়োজন আমাকে জামিন দিন।
এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত
তিথির হাতের মেহেদী দেওয়া ছবিতে আলভী লেখা এআই জেনারেটেড বলে দাবি করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া।
বুধবার (২৪ জুন) আদালতকে এ তথ্য জানান আলভী।
তিনি বলেন, আমি এমন একটা পরিস্থিতিতে আছি। শোক পালন করবো, নাকি কি করবো বুঝতে পারছি না। আমরা দুজনে ম্যাচিউর। প্রেম করে বিয়ে করেছি। আমাদের বিয়ের পর খুনসুটি ছিল, অভিমান ছিল, ঝগড়া ছিল। আমাদের সম্পর্ক ইস্মুথ ছিল। এমন কিছু ঘটেনি যে ইকরা আত্মহত্যা করবে।
আলভী আরও বলেন, আমি যেহেতু মিডিয়ায় কাজ করি। আমার শুভাকাঙ্খী ছাড়াও হেটার্স আছে। তারাই ইকরার মৃত্যুর পর আমাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়েছে। তিথির হাতের মেহেদী দেওয়া ছবিতে আলভী লেখা এআই জেনারেটেড। এখনো সেই ছবি আছে। আসল ছবিতে আলভী লেখা নেই।
তিনি আরও বলেন, আমি নাকি নেপালে গেছি ৬ টা নাটক করতে। আমার সঙ্গে অনেক মানুষ ছিল। এমন না যে আমি বার্থডে সেলিব্রেট করতে গেছি। আমার একটা সন্তান আছে সে তার মাকে হারিয়েছে। সে যতোই নানা নানী দাদা দাদীর কাছে থাক। তার বাবা প্রয়োজন আমাকে জামিন দিন।
এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির মিরপুর বিভাগের পরিদর্শক মো. আব্দুল মালেক।
পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুণী মীরের আদালত আলভীর ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডের বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন সিএমএম কোর্টের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট হারুনুর রশিদ।
এর আগে গত ১৮ জুন দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান।
দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।