তেল সংকটের আশঙ্কা; তিন দিনের তেল বিক্রি হয়েছে একদিনে

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পেট্রোল ও অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক ফিলিং স্টেশনে প্রয়োজনমতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মোটরসাইকেল চালকসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকদের এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে ঘুরে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এছাড়া নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী তেল দেওয়া হচ্ছে না—এমন অভিযোগও করছেন অনেক ক্রেতা। সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশন ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করেছেন যমুনা টেলিভিশনের সংবাদকর্মীরা। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তারা শুক্রবার রাত থেকেই তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। স্টক শেষ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান স্টেশনটির ব্যবস্থাপক। তিনি বলেন, যে পরিমাণ তেল মজুত ছিল তা শেষ হয়ে গেছে। সাধারণত তিন দিনের যে পরিমাণ বিক্রি হয়, তা একদিনেই শেষ হয়ে গেছে। নতুন তেল সরবরাহ এলে আবার বিক্রি শুরু করা হবে। চট্টগ্রামেও সকাল থেকে তেল বিক্রিতে কিছুটা অস্থিরতা দেখা গেছে। কিছু ফিলিং স্টেশন তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় বন্ধ রাখা হয়েছে। আবার কিছু স্টেশনে নির্দিষ্ট পরিমাণের তেল বিক্রি করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। একটি স্টেশনে দেখা গেছে, পণ্যবাহী ও যা

তেল সংকটের আশঙ্কা; তিন দিনের তেল বিক্রি হয়েছে একদিনে

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পেট্রোল ও অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক ফিলিং স্টেশনে প্রয়োজনমতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মোটরসাইকেল চালকসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকদের এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে ঘুরে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এছাড়া নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী তেল দেওয়া হচ্ছে না—এমন অভিযোগও করছেন অনেক ক্রেতা।

সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশন ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করেছেন যমুনা টেলিভিশনের সংবাদকর্মীরা।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তারা শুক্রবার রাত থেকেই তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। স্টক শেষ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান স্টেশনটির ব্যবস্থাপক। তিনি বলেন, যে পরিমাণ তেল মজুত ছিল তা শেষ হয়ে গেছে। সাধারণত তিন দিনের যে পরিমাণ বিক্রি হয়, তা একদিনেই শেষ হয়ে গেছে। নতুন তেল সরবরাহ এলে আবার বিক্রি শুরু করা হবে।

চট্টগ্রামেও সকাল থেকে তেল বিক্রিতে কিছুটা অস্থিরতা দেখা গেছে। কিছু ফিলিং স্টেশন তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় বন্ধ রাখা হয়েছে। আবার কিছু স্টেশনে নির্দিষ্ট পরিমাণের তেল বিক্রি করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

একটি স্টেশনে দেখা গেছে, পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী পরিবহনকে একবারে ৫০ থেকে ৬০ লিটার করে ডিজেল দেওয়া হচ্ছে। সারাদিনে যত বেশি যানবাহনকে সেবা দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যেই স্টেশন কর্তৃপক্ষ নিজেরাই এ ধরনের রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছেন।

ফেনীতেও সকাল থেকে তেলের সংকট স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সেখানে মোটরসাইকেল চালকদের প্রতি জনকে দুই লিটার করে পেট্রোল বা অকটেন দেওয়া হচ্ছে। একই স্টেশনে আবার ‘ডিজেল শেষ’ লেখা সাইনবোর্ডও দেখা গেছে।

জেলার ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতির সভাপতি জানান, ফেনীতে প্রতিদিন প্রায় আড়াই লাখ লিটার তেলের চাহিদা থাকলেও তার অর্ধেক সরবরাহ পাওয়া গেছে। এ কারণেই শুক্রবার থেকেই সংকট তৈরি হয়েছে।

রাজশাহীর অবস্থাও প্রায় একই রকম। সেখানে মোটরসাইকেল চালকদের চাহিদা বেশি হওয়ায় অনেকেই একটি স্টেশনে তেল না পেয়ে অন্য স্টেশনে খোঁজ করছেন। আবার কিছু ফিলিং স্টেশনে সামনে রশি টানিয়ে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা গেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow