দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী সুমন মিয়াকে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৯ মে) দক্ষিণ আফ্রিকার কেজেডএন (কোয়াজুলু-নাটাল) প্রদেশের নিউ ক্যাসেল শহরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন মিয়া (৩৮) উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. মইজ উদ্দিনের ছোট ছেলে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৪ থেকে ১৫ বছর আগে পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে সুমন দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। সেখানে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিউ ক্যাসেল শহরের নিকট এলাকায় নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সফলতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। ঘটনার দিন ব্যবসায়িক কাজে মালামাল ক্রয়ের উদ্দেশ্যে তিনি শহরে যান। পরে মালামাল নিয়ে ফেরার পথে বাংলাদেশ সময় বিকেল আনুমানিক ৫টা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তার গাড়ির গতিরোধ করে। এ সময় দুর্বৃত্তরা কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ঘটনা

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী সুমন মিয়াকে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার (৯ মে) দক্ষিণ আফ্রিকার কেজেডএন (কোয়াজুলু-নাটাল) প্রদেশের নিউ ক্যাসেল শহরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমন মিয়া (৩৮) উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. মইজ উদ্দিনের ছোট ছেলে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৪ থেকে ১৫ বছর আগে পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে সুমন দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। সেখানে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিউ ক্যাসেল শহরের নিকট এলাকায় নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সফলতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

ঘটনার দিন ব্যবসায়িক কাজে মালামাল ক্রয়ের উদ্দেশ্যে তিনি শহরে যান। পরে মালামাল নিয়ে ফেরার পথে বাংলাদেশ সময় বিকেল আনুমানিক ৫টা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তার গাড়ির গতিরোধ করে। এ সময় দুর্বৃত্তরা কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে নিহত সুমনের মরদেহ কবে দেশে আনা হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সুমনের আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম। গ্রামের বাড়িতেও চলছে কান্নার রোল। স্বজন ও এলাকাবাসী এ হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেছেন।

মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে নিহতের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। নিহতের মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছাতে পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow