দক্ষিণ ইয়েমেনের সব বাহিনী সৌদি জোটের অধীনে
দক্ষিণ ইয়েমেনের সব সামরিক বাহিনী এখন থেকে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের কমান্ডের অধীনে পরিচালিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের প্রধান রাশাদ আল-আলিমি। শনিবার টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন।
আল-আলিমি জানান, সৌদি জোটের তত্ত্বাবধানে একটি সুপ্রিম মিলিটারি কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি দক্ষিণ ইয়েমেনের সব বাহিনীকে প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সরবরাহ ও নির্দেশনা দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) সাম্প্রতিক ব্যর্থ অভিযানের পর এ ঘোষণা এলো। সম্প্রতি সৌদি সমর্থিত বাহিনী দক্ষিণের বিস্তীর্ণ এলাকা আবার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়, যা আগে এসটিসির দখলে ছিল।
ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি আরব ও ইউএই দীর্ঘদিন ধরে একই জোটে থাকলেও, বর্তমানে তারা ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীকে সমর্থন দিচ্ছে। এতে দক্ষিণ ইয়েমেনের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এরই মধ্যে এসটিসির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সংগঠনটির নেতা দেশ ছেড়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। রিয়াদে পাঠান
দক্ষিণ ইয়েমেনের সব সামরিক বাহিনী এখন থেকে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের কমান্ডের অধীনে পরিচালিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের প্রধান রাশাদ আল-আলিমি। শনিবার টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন।
আল-আলিমি জানান, সৌদি জোটের তত্ত্বাবধানে একটি সুপ্রিম মিলিটারি কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি দক্ষিণ ইয়েমেনের সব বাহিনীকে প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সরবরাহ ও নির্দেশনা দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) সাম্প্রতিক ব্যর্থ অভিযানের পর এ ঘোষণা এলো। সম্প্রতি সৌদি সমর্থিত বাহিনী দক্ষিণের বিস্তীর্ণ এলাকা আবার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়, যা আগে এসটিসির দখলে ছিল।
ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি আরব ও ইউএই দীর্ঘদিন ধরে একই জোটে থাকলেও, বর্তমানে তারা ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীকে সমর্থন দিচ্ছে। এতে দক্ষিণ ইয়েমেনের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এরই মধ্যে এসটিসির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সংগঠনটির নেতা দেশ ছেড়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। রিয়াদে পাঠানো একটি প্রতিনিধিদল সংগঠন বিলুপ্তির ঘোষণা দিলেও, অন্য নেতারা বলছেন—এটি চাপের মুখে করা সিদ্ধান্ত।
এই পরিস্থিতির মধ্যে শনিবার এডেন শহরে হাজারো মানুষ এসটিসির পক্ষে বিক্ষোভ করেন। তারা স্বাধীন দক্ষিণ ইয়েমেনের দাবিতে স্লোগান দেন এবং সৌদি আরববিরোধী বক্তব্যও শোনা যায়। যদিও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার এডেনকে রাজধানী হিসেবে ব্যবহার করে, শহরটি এখনও এসটিসির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।