দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক চুক্তিকে স্বাগত জানালো এফবিসিসিআই

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সাফল্যজনকভাবে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরিত হওয়ায় স্বাগত ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এফবিসিসিআই এ তথ্য জানিয়েছে। ফজলুল হক বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ও কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার আমদানি-রপ্তানির মধ্যে, বাংলাদেশ কোরিয়া থেকে আমদানি করে ৯০৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য এবং রপ্তানি করে ৪৯২ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। এতে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় প্রায় ৪১১ মিলিয়ন ডলার। তিনি বলেন, ‘এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে দুদেশের অর্থনৈতিক, ব্যবসা-বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি ও সুদৃঢ় হবে মর্মে আশা করা যাচ্ছে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্য (আট হাজার ৪২৮টি) কোরিয়ার উন্নত বাজারে শুল্কমুক্তভাবে প্রবেশ করতে পারবে। এতে করে বাংলাদেশের গার্মেন্টসহ অন্যান্য পণ্যের কোরিয়ার বাজারে রপ্তানি বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করি; যা আমাদের এলডিসি গ্রাজুয়েশন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিল

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক চুক্তিকে স্বাগত জানালো এফবিসিসিআই

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সাফল্যজনকভাবে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরিত হওয়ায় স্বাগত ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এফবিসিসিআই এ তথ্য জানিয়েছে।

ফজলুল হক বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ও কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার আমদানি-রপ্তানির মধ্যে, বাংলাদেশ কোরিয়া থেকে আমদানি করে ৯০৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য এবং রপ্তানি করে ৪৯২ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। এতে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় প্রায় ৪১১ মিলিয়ন ডলার।

তিনি বলেন, ‘এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে দুদেশের অর্থনৈতিক, ব্যবসা-বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি ও সুদৃঢ় হবে মর্মে আশা করা যাচ্ছে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্য (আট হাজার ৪২৮টি) কোরিয়ার উন্নত বাজারে শুল্কমুক্তভাবে প্রবেশ করতে পারবে। এতে করে বাংলাদেশের গার্মেন্টসহ অন্যান্য পণ্যের কোরিয়ার বাজারে রপ্তানি বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করি; যা আমাদের এলডিসি গ্রাজুয়েশন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সহায়ক হবে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে কারিগরি সহযোগিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।’

‘দক্ষিণ কোরিয়া সারাবিশ্ব থেকে প্রতিবছর প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক আমদানি করে, যার মাত্র ৩ শতাংশ বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়। নতুন এই চুক্তির ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি যেমন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, পাশাপাশি অন্যান্য পণ্য যেমন চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, কৃষিপণ্য ইত্যাদি রপ্তানির জন্য এই বাজার উন্মুক্ত হবে। ফলে আমাদের সামগ্রিক রপ্তানি বৃদ্ধিতে দক্ষিণ কোরিয়ার বাজার বড় ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস,’ যোগ করেন এফবিসিসিআই প্রশাসক।

অত্যন্ত দ্রুততা ও সাফল্যের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পাদনের জন্য বাণিজ্যমন্ত্রী ও তার দপ্তরের সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান ফজলুল হক। এই লব্ধ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে অন্যান্য দেশের সঙ্গে আরও বৃহৎ পরিসরে বাণিজ্য চুক্তি সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করা সহজ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ইএইচটি/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow