দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ২৩ বছরের কারাদণ্ড

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে জারি করা সামরিক আইন সংক্রান্ত ঘটনায় ‘বিদ্রোহমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’সহ একাধিক অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট রায়ে বলেন, সামরিক আইন জারিতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিলেন। রায়ে বিচারক বলেন, আসামি একজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। যিনি পরোক্ষভাবে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তবু তিনি বিষয়টি উপেক্ষা করার পথ বেছে নেন এবং ৩ ডিসেম্বরের বিদ্রোহে একজন সদস্য হিসেবে অংশ নেন। তিনি আরও বলেন, আসামির কর্মকাণ্ডের ফলে দক্ষিণ কোরিয়া এমন এক অন্ধকার অতীতে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল, যখন জনগণের মৌলিক অধিকার ও উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা লঙ্ঘিত হয়েছিল। নিম্ন আদালত হানকে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অভিযোগেও দোষী সাব্যস্ত করেছে, যার মধ্যে রয়েছে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া এবং ভুয়া সরকারি নথি তৈরির অভিযোগ। রায় ঘোষণার পরই আদালত তাকে হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা যেতে পারে। বিচারক বলেন, তিনি আশা করছে

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ২৩ বছরের কারাদণ্ড

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে জারি করা সামরিক আইন সংক্রান্ত ঘটনায় ‘বিদ্রোহমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’সহ একাধিক অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট রায়ে বলেন, সামরিক আইন জারিতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিলেন।

রায়ে বিচারক বলেন, আসামি একজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। যিনি পরোক্ষভাবে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তবু তিনি বিষয়টি উপেক্ষা করার পথ বেছে নেন এবং ৩ ডিসেম্বরের বিদ্রোহে একজন সদস্য হিসেবে অংশ নেন।

তিনি আরও বলেন, আসামির কর্মকাণ্ডের ফলে দক্ষিণ কোরিয়া এমন এক অন্ধকার অতীতে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল, যখন জনগণের মৌলিক অধিকার ও উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা লঙ্ঘিত হয়েছিল।

নিম্ন আদালত হানকে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অভিযোগেও দোষী সাব্যস্ত করেছে, যার মধ্যে রয়েছে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া এবং ভুয়া সরকারি নথি তৈরির অভিযোগ।

রায় ঘোষণার পরই আদালত তাকে হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন।

এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা যেতে পারে। বিচারক বলেন, তিনি আশা করছেন মামলাটি শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়াবে।

সূত্র: রয়টার্স

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow