দাবির প্রেক্ষিতে নয়, দায়িত্ববোধ থেকেই উন্নয়ন করছি: সিসিক প্রশাসক
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা কারও দাবির প্রেক্ষিতে নয়, নিজেদের দায়িত্ববোধ ও দায়বদ্ধতা থেকেই একের পর এক উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কয়েক দিন আগে খোজারখলায় এসে পুকুরটির দুরবস্থা দেখে এলাকাবাসীকে এটি উদ্ধারের আশ্বাস দিয়েছিলাম। আজ সেই কাজ শুরু করেছি।’ সোমবার (২১ জুলাই) সিলেটের দক্ষিণ সুরমার খোজারখলা পুকুরে উদ্ধার অভিযান শুরুর সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। সিসিক প্রশাসক বলেন, ‘পুকুরটি কচুরিপানা ও আবর্জনায় পুরোপুরি ভরে গিয়েছিল। নিরাপত্তা রেলিং না থাকায় দুর্ঘটনাও ঘটছিল। পরিবেশ দূষণের কারণে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে ছিলেন। আমরা অবিলম্বে এটি পরিষ্কার করে খনন করব এবং যতটা সম্ভব পুকুরটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব।’ তিনি আরও বলেন, শুধু পরিষ্কার করলেই হবে না, পুকুরটি সংরক্ষণেও এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে। এটি এলাকাবাসীরই সম্পদ। তাই কেউ যেন এখানে আবর্জনা না ফেলেন, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। পুকুরটিকে ঘিরে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, পুকুরটি পরিষ্কার করার পাশাপাশি খনন করা হবে এবং যতটা সম্ভব আগের অবস্থ
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা কারও দাবির প্রেক্ষিতে নয়, নিজেদের দায়িত্ববোধ ও দায়বদ্ধতা থেকেই একের পর এক উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কয়েক দিন আগে খোজারখলায় এসে পুকুরটির দুরবস্থা দেখে এলাকাবাসীকে এটি উদ্ধারের আশ্বাস দিয়েছিলাম। আজ সেই কাজ শুরু করেছি।’
সোমবার (২১ জুলাই) সিলেটের দক্ষিণ সুরমার খোজারখলা পুকুরে উদ্ধার অভিযান শুরুর সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
সিসিক প্রশাসক বলেন, ‘পুকুরটি কচুরিপানা ও আবর্জনায় পুরোপুরি ভরে গিয়েছিল। নিরাপত্তা রেলিং না থাকায় দুর্ঘটনাও ঘটছিল। পরিবেশ দূষণের কারণে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে ছিলেন। আমরা অবিলম্বে এটি পরিষ্কার করে খনন করব এবং যতটা সম্ভব পুকুরটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব।’
তিনি আরও বলেন, শুধু পরিষ্কার করলেই হবে না, পুকুরটি সংরক্ষণেও এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে। এটি এলাকাবাসীরই সম্পদ। তাই কেউ যেন এখানে আবর্জনা না ফেলেন, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।
পুকুরটিকে ঘিরে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, পুকুরটি পরিষ্কার করার পাশাপাশি খনন করা হবে এবং যতটা সম্ভব আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি পুকুরের চারপাশে হাঁটার পথ নির্মাণ করে এটিকে এলাকাবাসীর জন্য নিরাপদ ও দৃষ্টিনন্দন বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি জানান, সিলেট সিটি করপোরেশন নগরীর জলাধারগুলো সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে ধারাবাহিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণকে অগ্রাধিকার দিয়েই এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহু বছর ধরে পুকুরটি কার্যত পরিত্যক্ত ছিল। বর্ষাকালে কচুরিপানায় পানির অস্তিত্বও বোঝা যেত না। দুর্গন্ধ, মশার উপদ্রব ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা উদ্বেগে ছিলেন। উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সিসিক জানিয়েছে, নগরীর জলাধার সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে ধারাবাহিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণকে অগ্রাধিকার দিয়েই এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, খোজারখলা পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি আজমল আলী, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কোহিনূর আহমদ, ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইকবাল কামাল, সাধারণ সম্পাদক মোশাইদ আহমদ, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী।
What's Your Reaction?