দিনমজুর থেকে অভিনেতা, এখন বেকার হয়ে অর্থকষ্টে কাঁদছেন শামীম

ছোট পর্দা ও চলচ্চিত্রে ছোট ছোট কমেডি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের হাসিয়েছেন অভিনেতা শামীম হোসেন। দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে কাজের অভাবে কঠিন সময় পার করছেন তিনি। এমনকি অর্থকষ্টে আছেন বলেও জানিয়েছেন এই অভিনেতা। শামীমের জীবনের শুরুটা ছিল আরও কঠিন। প্রায় দুই দশক আগে জীবিকার তাগিদে দিনমুজুর হিসেবে কুলিগিরি, পকেটমারি ও রিকশা চালানোর মতো কাজও করেছেন তিনি। পরে ১৯৯৭ সালে ঢাকার বেইলি রোডে মহিলা সমিতির অফিসে পিয়নের চাকরি নেন। সেখান থেকেই তার অভিনয়জীবনের শুরু। অভিনেত্রী ও নির্মাতা আফসানা মিমির আহ্বানে ‘বন্ধন’ নাটকে কয়েকটি দৃশ্যে অভিনয়ের সুযোগ পান শামীম। এরপর ধীরে ধীরে নাটক ও চলচ্চিত্রে কাজ করতে থাকেন। এখন পর্যন্ত তিনি হাজারের বেশি নাটক এবং দুই ডজনের বেশি চলচ্চিত্রে ছোট ছোট কমেডি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তার অভিনয় দর্শকদের কাছেও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।সেই তিনি এখন বেকার হয়ে ঘরে বসে আছেন। বুধবার (সকাল) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে অশ্রুসিক্ত চোখে শামীম হোসেন বলেন, রোজার প্রায় ১৪ দিন পার হয়ে গেছে, কিন্তু কোনো কাজ নেই। কাজ না করে বেকার বসে থাকলে মনের অবস্থা খুব খ

দিনমজুর থেকে অভিনেতা, এখন বেকার হয়ে অর্থকষ্টে কাঁদছেন শামীম

ছোট পর্দা ও চলচ্চিত্রে ছোট ছোট কমেডি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের হাসিয়েছেন অভিনেতা শামীম হোসেন। দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে কাজের অভাবে কঠিন সময় পার করছেন তিনি। এমনকি অর্থকষ্টে আছেন বলেও জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

শামীমের জীবনের শুরুটা ছিল আরও কঠিন। প্রায় দুই দশক আগে জীবিকার তাগিদে দিনমুজুর হিসেবে কুলিগিরি, পকেটমারি ও রিকশা চালানোর মতো কাজও করেছেন তিনি। পরে ১৯৯৭ সালে ঢাকার বেইলি রোডে মহিলা সমিতির অফিসে পিয়নের চাকরি নেন।

সেখান থেকেই তার অভিনয়জীবনের শুরু। অভিনেত্রী ও নির্মাতা আফসানা মিমির আহ্বানে ‘বন্ধন’ নাটকে কয়েকটি দৃশ্যে অভিনয়ের সুযোগ পান শামীম। এরপর ধীরে ধীরে নাটক ও চলচ্চিত্রে কাজ করতে থাকেন। এখন পর্যন্ত তিনি হাজারের বেশি নাটক এবং দুই ডজনের বেশি চলচ্চিত্রে ছোট ছোট কমেডি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তার অভিনয় দর্শকদের কাছেও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।



সেই তিনি এখন বেকার হয়ে ঘরে বসে আছেন। বুধবার (সকাল) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে অশ্রুসিক্ত চোখে শামীম হোসেন বলেন, রোজার প্রায় ১৪ দিন পার হয়ে গেছে, কিন্তু কোনো কাজ নেই। কাজ না করে বেকার বসে থাকলে মনের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যায়। পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের জন্য প্রতি মাসে আয়ের একটি লক্ষ্য থাকে। কিন্তু কাজ না থাকায় সেই লক্ষ্য পূরণ করতে পারছেন না তিনি।

ভিডিওতে তিনি আরও বলেন, ‘কাজ না থাকায় মাঝে মাঝে মনে হয় টেনশনে পাগল হয়ে যাব। পাশে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ নেই। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আমারসহ সবার রিজিকে বরকত দেন।’

এর আগে দেওয়া আরেকটি ফেসবুক পোস্টে শামীম হোসেন লিখেছেন, ‘আমরা মধ্যবিত্ত পরিবার। তাই জানালার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে থাকি-কেউ যদি কোনো কাজে ডাকে, কেউ যদি পাশে এসে দাঁড়ায়। অভাব কী জিনিস, আজ সত্যিই তা বুঝতে পারছি ভাই।’



এমআই/এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow