দুই পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১৫
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও সশস্ত্র হামলায় নারীসহ ১৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মিনু বেগম ও মিজানুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
রোববার (৮ মার্চ) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়নের রুদ্রপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মান্নান খা ও তার চাচা হারুন খা গ্রুপের সঙ্গে মিজানুর রহমানের বিরোধ চলছিল। রোববার বিকেলে কাদিরের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে মান্নান খার লোকজন মিজানুর রহমানকে মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। মারধরের ঘটনায় মিজানুর রহমান বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানালে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের তারাবির নামাজের পর মান্নান খা, হারুন খা ও আমিন খাসহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিজানুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা বাড়িতে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুর চালালে নারীসহ ১৫ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- মিজানুর রহমান, মিনু বেগম, জয়তন বেগম, কাজল বেগম, ইভা, বন্যা, নুপুর
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও সশস্ত্র হামলায় নারীসহ ১৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মিনু বেগম ও মিজানুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
রোববার (৮ মার্চ) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়নের রুদ্রপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মান্নান খা ও তার চাচা হারুন খা গ্রুপের সঙ্গে মিজানুর রহমানের বিরোধ চলছিল। রোববার বিকেলে কাদিরের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে মান্নান খার লোকজন মিজানুর রহমানকে মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। মারধরের ঘটনায় মিজানুর রহমান বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানালে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের তারাবির নামাজের পর মান্নান খা, হারুন খা ও আমিন খাসহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিজানুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা বাড়িতে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুর চালালে নারীসহ ১৫ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- মিজানুর রহমান, মিনু বেগম, জয়তন বেগম, কাজল বেগম, ইভা, বন্যা, নুপুর বেগম, আয়ান, ফাহিমা, দোলন, আলামিন, খোরশেখ খা, মোস্তাকিম, ইদ্রিস খাঁ ও সাফি বেগম।
স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। গুরুতর আহত মিনু বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ঘটনাস্থলে নজরদারি বাড়িয়েছে।
শ্রীনগর থানার ওসি জুয়েল মিয়া বলেন, ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।