দু’এক দিনের মধ্যেই নির্বাচিত হবে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা

আয়াত উল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতা কাঠামোতে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদে বলা হয়েছে, দুই এক দিনের মধ্যেই ইরানের নতুন ‘সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা’ (সুপ্রিম লিডার) নির্বাচিত করা হবে।  বিভিন্ন সূত্রের গুঞ্জন রয়েছে যে, ইরানের পরবর্তী ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন আয়াত উল্লাহ আলী খামেনির পুত্র মোজতবা খামেনি। তবে কে হচ্ছেন ইরানের পরবর্তী সুপ্রিম লিডার তা খুব দ্রুত ই জানা যাবে।  মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই দেশ নতুন সর্বোচ্চ নেতা পেতে যাচ্ছে। বর্তমানে একটি তিন সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিল রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করছে। ৮৮ সদস্যের ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ (বিশেষজ্ঞ পরিষদ) এখন জরুরি বৈঠকে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছে। জানা গেছে, দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সাংবিধানিক রীতিনীতি উপেক্ষা করে যত দ্রুত সম্ভব পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। সূত্

দু’এক দিনের মধ্যেই নির্বাচিত হবে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা

আয়াত উল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতা কাঠামোতে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদে বলা হয়েছে, দুই এক দিনের মধ্যেই ইরানের নতুন ‘সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা’ (সুপ্রিম লিডার) নির্বাচিত করা হবে। 

বিভিন্ন সূত্রের গুঞ্জন রয়েছে যে, ইরানের পরবর্তী ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন আয়াত উল্লাহ আলী খামেনির পুত্র মোজতবা খামেনি। তবে কে হচ্ছেন ইরানের পরবর্তী সুপ্রিম লিডার তা খুব দ্রুত ই জানা যাবে।

 মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই দেশ নতুন সর্বোচ্চ নেতা পেতে যাচ্ছে।

বর্তমানে একটি তিন সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিল রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করছে। ৮৮ সদস্যের ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ (বিশেষজ্ঞ পরিষদ) এখন জরুরি বৈঠকে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

জানা গেছে, দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সাংবিধানিক রীতিনীতি উপেক্ষা করে যত দ্রুত সম্ভব পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, আইআরজিসি-র অবশিষ্ট কমান্ড কাঠামো গত রবিবার (১ মার্চ) ভোরের মধ্যেই পরবর্তী নেতার নাম চূড়ান্ত করতে চেয়েছিল। সাধারণত ইরানের সংবিধান অনুযায়ী ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ (বিশেষজ্ঞ পরিষদ) এই নেতা নির্বাচন করে।

কিন্তু বর্তমানে চলমান মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার কারণে এই পরিষদের সদস্যদের একত্রিত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে আইআরজিসি চাইছে আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়েই দ্রুত কাউকে এই পদে বসাতে।

আইআরজিসি-এর প্রধান নিহত মোহাম্মদ পাকপুরের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ ওয়াহিদিকে। তিনি একজন অভিজ্ঞ সামরিক নেতা এবং ১৯৯৪ সালের আমিয়া বোমা হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইন্টারপোলের ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছেন।

ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ করার ঘোষণা না দিলেও, আইআরজিসি রেডিওর মাধ্যমে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রবেশ করতে নিষেধ করছে। বর্তমানে প্রায় ১৭০টি জাহাজ সেখানে আটকা পড়ে আছে।

সূত্র: আল-জাজিরা/ ইরান ইন্টার ন্যাশনাল
কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow