দুদকের মামলায় আনিস আলমগীরের স্থায়ী জামিন, বিদেশ যেতে বাধা নেই

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে বিদেশ ভ্রমণের আবেদনও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে তাকে সশরীরে আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আনিস আলমগীরের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি। আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন মামলার ধার্য তারিখে আনিস আলমগীর আদালতে হাজির হন। পরে তার পক্ষে স্থায়ী জামিন, ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ এবং বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চেয়ে পৃথক তিনটি আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত স্থায়ী জামিন ও বিদেশ ভ্রমণের আবেদন মঞ্জুর করলেও ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। গত ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করলে গত ২৮ জানুয়ারি আদালত তা মঞ্জুর করেন। পরে গত ১১ মার্চ তিনি ওই মামলায় জামিন পান। এর আগে, গত ১৪ ডিসেম্বর জু

দুদকের মামলায় আনিস আলমগীরের স্থায়ী জামিন, বিদেশ যেতে বাধা নেই

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে বিদেশ ভ্রমণের আবেদনও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে তাকে সশরীরে আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আনিস আলমগীরের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন মামলার ধার্য তারিখে আনিস আলমগীর আদালতে হাজির হন। পরে তার পক্ষে স্থায়ী জামিন, ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ এবং বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চেয়ে পৃথক তিনটি আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত স্থায়ী জামিন ও বিদেশ ভ্রমণের আবেদন মঞ্জুর করলেও ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।

গত ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করলে গত ২৮ জানুয়ারি আদালত তা মঞ্জুর করেন। পরে গত ১১ মার্চ তিনি ওই মামলায় জামিন পান।

এর আগে, গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভুলেশনারি এলায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার হন আনিস আলমগীর। পরদিন আদালত তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে চলতি বছরের ৫ মার্চ ওই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান তিনি।

দুদকের মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আনিস আলমগীরের নামে মোট ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকার তথ্য মিলেছে। বাকি ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এমডিএএ/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow