দুর্নীতি মামলায় সাবেক মন্ত্রী মোকতাদিরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর আয়কর-সংক্রান্ত নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মোকতাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির শুরু থেকে হালনাগাদ আয়কর নথি এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র জব্দ করা প্রয়োজন বলে দুদক আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মোকতাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২৪ কোটি ৮৯ লাখ ৭১ হাজার টাকা লেনদেনের মাধ্যমে হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে। এসব অর্থের উৎস আড়াল করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের অনুসন্ধান চলছে

দুর্নীতি মামলায় সাবেক মন্ত্রী মোকতাদিরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর আয়কর-সংক্রান্ত নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মোকতাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির শুরু থেকে হালনাগাদ আয়কর নথি এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র জব্দ করা প্রয়োজন বলে দুদক আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মোকতাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২৪ কোটি ৮৯ লাখ ৭১ হাজার টাকা লেনদেনের মাধ্যমে হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে। এসব অর্থের উৎস আড়াল করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের অনুসন্ধান চলছে।

এমডিএএ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow