দেশে ফিরতে চান সালাউদ্দিন

চিকিৎসার অভাবে মালয়েশিয়ায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন নরসিংদী জেলার নবীনগরের প্রবাসী সালাউদ্দিন। গুরুতর অসুস্থ এই প্রবাসী দ্রুত দেশে ফিরতে চাইলেও বিপুল চিকিৎসা ও ফেরত আসার খরচ জোগাড় করতে না পারায় অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের তেনংগু আম্পুয়ান রাহিমাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সালাউদ্দিন। তাকে দেশে ফেরাতে হাসপাতাল বিল, স্পেশাল পাস ও বিমান টিকিটসহ ২০ হাজার রিঙ্গিত প্রয়োজন, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ লাখ টাকা। পরিবার জানিয়েছে, এই অর্থ জোগাড় করা তাদের পক্ষে একেবারেই সম্ভব নয়। জানা গেছে, ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় ২০২০ সালের দিকে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান সালাউদ্দিন। তবে ভিসা জটিলতা, কাজ শেষে নিয়মিত বেতন না পাওয়া এবং ধারদেনার চাপের মধ্যে পড়েই ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা পাচ্ছেন না সালাউদ্দিন। তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছে। দ্রুত দেশে পাঠানো না গেলে হয়তো আর জীবিত অবস্থায় পরিবারের কাছে ফেরা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। এমনকি নিজের বাবার শেষ দেখাট

দেশে ফিরতে চান সালাউদ্দিন
চিকিৎসার অভাবে মালয়েশিয়ায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন নরসিংদী জেলার নবীনগরের প্রবাসী সালাউদ্দিন। গুরুতর অসুস্থ এই প্রবাসী দ্রুত দেশে ফিরতে চাইলেও বিপুল চিকিৎসা ও ফেরত আসার খরচ জোগাড় করতে না পারায় অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের তেনংগু আম্পুয়ান রাহিমাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সালাউদ্দিন। তাকে দেশে ফেরাতে হাসপাতাল বিল, স্পেশাল পাস ও বিমান টিকিটসহ ২০ হাজার রিঙ্গিত প্রয়োজন, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ লাখ টাকা। পরিবার জানিয়েছে, এই অর্থ জোগাড় করা তাদের পক্ষে একেবারেই সম্ভব নয়। জানা গেছে, ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় ২০২০ সালের দিকে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান সালাউদ্দিন। তবে ভিসা জটিলতা, কাজ শেষে নিয়মিত বেতন না পাওয়া এবং ধারদেনার চাপের মধ্যে পড়েই ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা পাচ্ছেন না সালাউদ্দিন। তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছে। দ্রুত দেশে পাঠানো না গেলে হয়তো আর জীবিত অবস্থায় পরিবারের কাছে ফেরা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। এমনকি নিজের বাবার শেষ দেখাটুকুও আর দেখতে নাও পারেন তার সন্তানরা। সালাউদ্দিনের অসহায় অবস্থা দেখে এগিয়ে আসেন ফেনীর মেহদী হাসান ও সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী। মানবিক বিবেচনায় মেহদী হাসান তাকে নিজ বাসায় আশ্রয় দেন এবং শুরু থেকেই চিকিৎসা ও দেশে ফেরানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সালাউদ্দিনের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পেতেও নানা বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানান মেহদী হাসান। তিনি বলেন, আর্থিক সহায়তা না পেলে সালাউদ্দিনকে দেশে পাঠানো একেবারেই সম্ভব নয়। এ অবস্থায় সালাউদ্দিনের পরিবার প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে। আর্থিক সহায়তা বা যে কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যাবে +60182100344 (মোহাম্মদ আলী), +601161873503(মেহেদী হাসান) এর নম্বারে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow