দেশে ফিরলেন সৌদিতে আটকে পড়া ৩৩ ওমরাহ যাত্রী

সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া ৩৩ জন ওমরাহ যাত্রী। তারা মাস্ক হজ গ্রুপ ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) তারা দেশে ফেরেন বলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সৌদি আরবে বাংলাদেশ হজ অফিসের কাউন্সিলরের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ মার্চ তারা ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যান। সংশ্লিষ্ট এজেন্সি তাদের ৫ এপ্রিল দেশে ফেরার কথা বললেও নির্ধারিত সময়ে কোনো রিটার্ন টিকিট দেওয়া হয়নি। ফলে তাদের দেশে ফেরা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে এবং গত ১৮ এপ্রিল তাদের ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে যায়। আটকে পড়া এসব ওমরাহ যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পত্র দেন জেদ্দার বাংলাদেশ হজ অফিসের কাউন্সিলর। এ বিষয়টি জেনে আটকে পড়া ওমরাহ যাত্রীদের দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেলকে অনুরোধ জানান ধর্মমন্ত্রী। মন্ত্রীর নির্দেশে কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ভুক্তভোগী ওমরাহ যাত

দেশে ফিরলেন সৌদিতে আটকে পড়া ৩৩ ওমরাহ যাত্রী

সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া ৩৩ জন ওমরাহ যাত্রী। তারা মাস্ক হজ গ্রুপ ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) তারা দেশে ফেরেন বলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সৌদি আরবে বাংলাদেশ হজ অফিসের কাউন্সিলরের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ মার্চ তারা ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যান। সংশ্লিষ্ট এজেন্সি তাদের ৫ এপ্রিল দেশে ফেরার কথা বললেও নির্ধারিত সময়ে কোনো রিটার্ন টিকিট দেওয়া হয়নি। ফলে তাদের দেশে ফেরা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে এবং গত ১৮ এপ্রিল তাদের ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে যায়।

আটকে পড়া এসব ওমরাহ যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পত্র দেন জেদ্দার বাংলাদেশ হজ অফিসের কাউন্সিলর।

এ বিষয়টি জেনে আটকে পড়া ওমরাহ যাত্রীদের দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেলকে অনুরোধ জানান ধর্মমন্ত্রী। মন্ত্রীর নির্দেশে কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ভুক্তভোগী ওমরাহ যাত্রীদের হোটেলে গিয়ে দেখা করেন এবং এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করেন। 

এ প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, জেদ্দা বাংলাদেশ হজ অফিসের কাউন্সিলর হজ মো. কামরুল ইসলাম ও কনস্যুলার এ এস এম সায়েম।  

ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে ওমরাহ যাত্রীরা যেন সমস্যায় না পড়ে সে বিষয়ে জেদ্দার বাংলাদেশ হজ অফিস থেকে সৌদি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠানো হয়।

গত মাসেও এই এজেন্সির কিছু ওমরাহ যাত্রী একই সমস্যায় পড়েন। পরে ধর্মমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এজেন্সির মালিক তাদের দেশে ফিরিয়ে আনেন বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

আরএমএম/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow