দ্বিতীয় বিয়ে গোপন রাখার কারণ ব্যাখ্যা করলেন মামুনুল হক
আলোচিত নারায়ণগঞ্জ ঘটনার প্রসঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে গোপন রাখার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, উপমহাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় একাধিক বিয়ে একটি জটিল বিষয় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে যারা একাধিক বিয়ে করেন, তারা প্রথম পরিবার থেকে কিছু সময়ের জন্য বিষয়টি গোপন রাখেন। শনিবার (২০ জুন) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি। মামুনুল হক বলেন, এটা সবাই জানি, আমাদের উপমহাদেশে একাধিক বিবাহ একটা জটিল বিষয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে যারাই একাধিক বিবাহ করেন, তারা প্রথম পরিবার থেকে একটা সময় পর্যন্ত লুকিয়ে রাখেন। কারণ, পরিবার কোনোভাবেই তা মানতে চায় না। স্বাভাবিকভাবেই আমার সন্তান ও পরিবারে ওই মুহূর্তে আমি অস্থিরতা তৈরি করতে চাইনি। রাষ্ট্রীয় আইনে প্রথম স্ত্রীর অনুমতির বাধ্যবাধকতার জটিলতায় কাবিন করাটাও সমস্যাপূর্ণ ছিল। আর ইসলামেও কাবিন করা বাধ্যতামূলক নয়। আমার প্রথম বিবাহেও স্ত্রী রাষ্ট্রীয় আইনে অপ্রাপ্তবয়স্কা হওয়ায় কাবিন করিনি। তিনি বলেন, তবে একাধিক বিবাহের বিষয়টি ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা জানত। আমিই সতর্কতামূলক জানিয়ে রেখেছিলাম। রয়েল রিসোর্ট থে
আলোচিত নারায়ণগঞ্জ ঘটনার প্রসঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে গোপন রাখার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
তিনি বলেন, উপমহাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় একাধিক বিয়ে একটি জটিল বিষয় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে যারা একাধিক বিয়ে করেন, তারা প্রথম পরিবার থেকে কিছু সময়ের জন্য বিষয়টি গোপন রাখেন।
শনিবার (২০ জুন) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।
মামুনুল হক বলেন, এটা সবাই জানি, আমাদের উপমহাদেশে একাধিক বিবাহ একটা জটিল বিষয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে যারাই একাধিক বিবাহ করেন, তারা প্রথম পরিবার থেকে একটা সময় পর্যন্ত লুকিয়ে রাখেন। কারণ, পরিবার কোনোভাবেই তা মানতে চায় না। স্বাভাবিকভাবেই আমার সন্তান ও পরিবারে ওই মুহূর্তে আমি অস্থিরতা তৈরি করতে চাইনি। রাষ্ট্রীয় আইনে প্রথম স্ত্রীর অনুমতির বাধ্যবাধকতার জটিলতায় কাবিন করাটাও সমস্যাপূর্ণ ছিল। আর ইসলামেও কাবিন করা বাধ্যতামূলক নয়। আমার প্রথম বিবাহেও স্ত্রী রাষ্ট্রীয় আইনে অপ্রাপ্তবয়স্কা হওয়ায় কাবিন করিনি।
তিনি বলেন, তবে একাধিক বিবাহের বিষয়টি ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা জানত। আমিই সতর্কতামূলক জানিয়ে রেখেছিলাম। রয়েল রিসোর্ট থেকে পুলিশ কর্মকর্তা এএসপি আমার সেই ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের মধ্য থেকে একাধিক নির্ভরযোগ্য সুপরিচিত ব্যক্তির সাথে আলাপ করে আশ্বস্ত হয়েছিলেন এবং আমার পক্ষে কিছুটা ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফলে তাকে হাসিনা সরকারের চরম নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছে।
মামুনুল হক আরও বলেন, যারা আমার বিবাহের বিষয়ে নিজেদের অবগত হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করেছিলেন, তাদের উপর দিয়েও বয়ে গেছে ভয়াবহ ঝড়। তাদের উপর্যুপরি চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে, তারা যেন আমার বিরুদ্ধে স্টেটমেন্ট দেন।
সবশেষ তিনি বলেন, আল্লাহ সেসব ওলামায়ে কেরামকে যথাযোগ্য বিনিময় দান করুন, তারা কেউ কেউ দেশ ছেড়ে ফেরারী জীবন যাপন করেছেন কিন্তু গোয়েন্দাদের কথায় রাজি হননি।
What's Your Reaction?