দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে বিদেশ, ক্ষোভে ভেকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দিল বাড়ি

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় দ্বিতীয় বিয়ে করার পর প্রথম স্ত্রীকে আবার গোপনে বিয়ে করে বিদেশে চলে যাওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তির বসতবাড়ি ভেকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বসতবাড়ি ভাঙার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে খেজুরতলা গ্রামের সোনিয়া খাতুনের সঙ্গে একই গ্রামের মালয়েশিয়াপ্রবাসী রমজান আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামের (২৭) পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। রফিকুল বিদেশে থাকার সময় সোনিয়া অন্য এক প্রবাসী যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন এমন অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে ওই যুবকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনও করেন সোনিয়া। সেসময় বিষয়টি থানা-পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়। পরে রফিকুল সোনিয়াকে তালাক দিয়ে একই এলাকার মুকুলের মেয়েকে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবন প্রায় এক বছর স্থায়ী হয়।  স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১০ দিন আগে রফিকুল তার প্রথম স্ত্রী সোনিয়াকে আবার গোপনে বিয়ে করেন। এরপর তাকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়ায় চলে যান। বিষয়

দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে বিদেশ, ক্ষোভে ভেকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দিল বাড়ি

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় দ্বিতীয় বিয়ে করার পর প্রথম স্ত্রীকে আবার গোপনে বিয়ে করে বিদেশে চলে যাওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তির বসতবাড়ি ভেকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বসতবাড়ি ভাঙার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে খেজুরতলা গ্রামের সোনিয়া খাতুনের সঙ্গে একই গ্রামের মালয়েশিয়াপ্রবাসী রমজান আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামের (২৭) পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। রফিকুল বিদেশে থাকার সময় সোনিয়া অন্য এক প্রবাসী যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন এমন অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে ওই যুবকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনও করেন সোনিয়া। সেসময় বিষয়টি থানা-পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়। পরে রফিকুল সোনিয়াকে তালাক দিয়ে একই এলাকার মুকুলের মেয়েকে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবন প্রায় এক বছর স্থায়ী হয়। 

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১০ দিন আগে রফিকুল তার প্রথম স্ত্রী সোনিয়াকে আবার গোপনে বিয়ে করেন। এরপর তাকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়ায় চলে যান। বিষয়টি জানতে পেরে দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হন। এর জের ধরে রোববার সকালে তারা ভেকু দিয়ে রফিকুলের বসতবাড়ি ভেঙে দেন।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দীন বলেন, সকালে রফিকুলের বাড়ির দিকে গিয়ে দেখি, ভেকু দিয়ে বসতবাড়ি ভাঙা হচ্ছে। পরে জানতে পারি, প্রথম স্ত্রীকে গোপনে বিয়ে করে বিদেশে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের লোকজন এ কাজ করেছেন।

তিনি বলেন, রফিকুল প্রতারণা করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু বসতবাড়ি ভাঙচুর করা কোনোভাবেই ঠিক হয়নি।

এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম বিদেশ থাকায় তার পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে রফিকুলের শশুর মুকুল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে কথা তিনি জানান, রফিকুল আমার মেয়ের সাথে প্রতারণা করেছে। সে তার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে আমার মেয়েকে বিবাহ করেছে। আবার গোপনে তার আগের স্ত্রীকে গোপনে বিয়ে করে বিদেশে নিয়ে গেছে। এখন আমার মেয়েটার কি হবে।

আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, এখন পর্যন্ত আমাকে কেউ জানায়নি। লিখিত কেউ অভিযোগও করেনি। তবে ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow