দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি আবৃত্তিশিল্পীদের
দেশে ক্রমবর্ধমান শিশু ও নারী ধর্ষণ-নিপীড়নের ঘটনায় ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সম্মিলিত আবৃত্তিশিল্পীরা। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ‘চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়’ স্লোগানে প্রতিবাদী আবৃত্তি কর্মসূচি পালন করে তারা। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকাল ৪টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ প্রতিবাদী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। আবৃত্তিশিল্পীরা তাদের বক্তব্যে দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং নিপীড়নের অব্যাহত ঘটনাগুলোর তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নানা সংকট পেরিয়ে নতুন গণতান্ত্রিক পরিবেশে মানুষ আশা করেছিল নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ঘরে-বাইরে, হাটে-মাঠে-ঘাটে নারীর নিরাপত্তাহীনতার চিত্র এখনো উদ্বেগজনক। বক্তারা আরও বলেন, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ দমনে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা নিষ্পত্তি এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। একইসঙ্গে সমাজের সব স্তরে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তারা। কর্মসূচিতে দেশের বিশিষ্ট আবৃত্ত
দেশে ক্রমবর্ধমান শিশু ও নারী ধর্ষণ-নিপীড়নের ঘটনায় ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সম্মিলিত আবৃত্তিশিল্পীরা। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ‘চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়’ স্লোগানে প্রতিবাদী আবৃত্তি কর্মসূচি পালন করে তারা।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকাল ৪টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ প্রতিবাদী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
আবৃত্তিশিল্পীরা তাদের বক্তব্যে দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং নিপীড়নের অব্যাহত ঘটনাগুলোর তীব্র নিন্দা জানান।
তারা বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নানা সংকট পেরিয়ে নতুন গণতান্ত্রিক পরিবেশে মানুষ আশা করেছিল নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ঘরে-বাইরে, হাটে-মাঠে-ঘাটে নারীর নিরাপত্তাহীনতার চিত্র এখনো উদ্বেগজনক।
বক্তারা আরও বলেন, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ দমনে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা নিষ্পত্তি এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। একইসঙ্গে সমাজের সব স্তরে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তারা।
কর্মসূচিতে দেশের বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীরা আবৃত্তি ও সঙ্গীত পরিবেশন করেন। আবৃত্তি পরিবেশন করেন সামছুদ্দোহা পাটোয়ারি, সঙ্গীতা খান, মুমু মাহিনুর, অনন্যা মাহমুদ, আঞ্জুমান লায়লা নওশিন, ফাহমিদা সূচনা, মাসুদ মনিরুল, মাহি ফারহানা, শারমিন জুই, কামরুজ্জামান, মাহবুবুর রহমান টুনু, লিজা তাসলিমা, শিরীন বেবী, ইশরাত ঝিমিসহ অনেকে।
আয়োজনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গীতি আরা নাসরিন এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন বটতলাসহ কয়েকটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন।
আয়োজনের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আবৃত্তিশিল্পী আঞ্জুমান লায়লা নওশিন, অনন্যা মাহমুদ ও তাসনুভা মোহনা।
প্রতিবাদী এই কর্মসূচিতে বক্তারা নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং নিরাপদ সমাজ নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
What's Your Reaction?