ধানের জমিতে তামাকের চাষ
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ধান ও সরিষার জমিতে বেশি লাভের আশায় প্রথমবারের মতো চাষ হচ্ছে তামাক। এক সময় এসব জমিতে ব্যাপক হারে ধান ও সরিষা চাষ হতো। এ চাষের ফসল দেশের খাদ্য উৎপাদনের ঘাটতি মেটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখত। সেসব জমিতে এবার প্রথম বাণিজ্যিক আকারে তামাক চাষ হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, বেলকুচি উপজেলার বানিয়াগাতী নতুন পাড়া গ্রামের বাসিন্দা শামসুল আলমের ছেলে শহিদুল ইসলাম কামারখন্দ উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের পাকা সড়কের পাশে প্রায় তিন বিঘা জমিতে তামাকের চাষ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সাদেকা আলি এবং ইমান আলী বলেন, এসব জমিতে এক সময় ধান চাষ হতো সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে ধান পাওয়া যেত। এবার যে পরিমাণ সরিষা হয়েছে এই জমিতে সরিষা চাষ করলেও এ কৃষক অনেক বেশি লাভবান হতেন। কিন্তু সেই জমিতে তামাক চাষ হচ্ছে। এসব জমি ধান এবং সরিষা চাষের জন্য খুবই ভালো। বেশি লাভের আশায় ধান, সরিষা বা ভুট্টা বাদ দিয়ে তামাক লাগিয়েছেন স্থানীয় এক কৃষক। তামাক চাষি শহিদুল ইসলাম বলেন, একটু বেশি লাভের আশায় তামাক চাষ করেছি। কিন্তু জমিতে বেশি পরিমাণে সার এবং পানি থাকার কারণে তেমন ভালো তামাকের চাষ হয়নি।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ধান ও সরিষার জমিতে বেশি লাভের আশায় প্রথমবারের মতো চাষ হচ্ছে তামাক। এক সময় এসব জমিতে ব্যাপক হারে ধান ও সরিষা চাষ হতো। এ চাষের ফসল দেশের খাদ্য উৎপাদনের ঘাটতি মেটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখত। সেসব জমিতে এবার প্রথম বাণিজ্যিক আকারে তামাক চাষ হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বেলকুচি উপজেলার বানিয়াগাতী নতুন পাড়া গ্রামের বাসিন্দা শামসুল আলমের ছেলে শহিদুল ইসলাম কামারখন্দ উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের পাকা সড়কের পাশে প্রায় তিন বিঘা জমিতে তামাকের চাষ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সাদেকা আলি এবং ইমান আলী বলেন, এসব জমিতে এক সময় ধান চাষ হতো সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে ধান পাওয়া যেত। এবার যে পরিমাণ সরিষা হয়েছে এই জমিতে সরিষা চাষ করলেও এ কৃষক অনেক বেশি লাভবান হতেন। কিন্তু সেই জমিতে তামাক চাষ হচ্ছে। এসব জমি ধান এবং সরিষা চাষের জন্য খুবই ভালো। বেশি লাভের আশায় ধান, সরিষা বা ভুট্টা বাদ দিয়ে তামাক লাগিয়েছেন স্থানীয় এক কৃষক।
তামাক চাষি শহিদুল ইসলাম বলেন, একটু বেশি লাভের আশায় তামাক চাষ করেছি। কিন্তু জমিতে বেশি পরিমাণে সার এবং পানি থাকার কারণে তেমন ভালো তামাকের চাষ হয়নি। এরপর এটা বাদ দিয়ে পাটের আবাদ করব।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মন বলেন, কামারখন্দে তামাক চাষ হচ্ছে এটা আমার জানা নেই। আমরা সবসময় কৃষকদের তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করি। উপজেলার কোন বর্ডার এলাকায় এই তামাক চাষ হচ্ছে আমি আমার ব্লক সুপারভাইজারদের সাথে কথা বলে জানাতে পারব। এ বিষয়ে ইউএনও, ডিডি স্যারকে কল দিতে পারেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড. বিপাশা হোসাইন কে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের ধারণা, তামাকের আগ্রাসন রুখতে না পারলে আগামীতে এর প্রবণতা বাড়বে।
What's Your Reaction?