ধামরাইয়ে গ্যাসের আগুনে দগ্ধ সুমনা মারা গেছেন
ঢাকার ধামরাইয়ের একটি বাসায় গ্যাসলাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ সুমনা আক্তার (৪৫) মারা গেছেন। বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ধামরাই থেকে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের চারজন আমাদের এখানে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে সুমনা আক্তার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মারা গেছেন। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল। আরও পড়ুনধামরাইয়ে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, স্বামী-স্ত্রী ও ২ ছেলে দগ্ধ ডা. শাওন জানান, সুমনার স্বামী বাদশা মিয়া (৫৬), দুই ছেলে মোহাম্মদ আরাফাত (২২) ও আবু বক্কর সিদ্দিক (১৬) এখনো চিকিৎসাধীন। বাদশা মিয়ার শরীরের তিন শতাংশ দগ্ধ, আরাফাতের ২ শতাংশ ও আবু বক্কর সিদ্দিকের ২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাদের উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়। কাজী আল-আমিন/বিএ
ঢাকার ধামরাইয়ের একটি বাসায় গ্যাসলাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ সুমনা আক্তার (৪৫) মারা গেছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ধামরাই থেকে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের চারজন আমাদের এখানে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে সুমনা আক্তার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মারা গেছেন। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
আরও পড়ুন
ধামরাইয়ে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, স্বামী-স্ত্রী ও ২ ছেলে দগ্ধ
ডা. শাওন জানান, সুমনার স্বামী বাদশা মিয়া (৫৬), দুই ছেলে মোহাম্মদ আরাফাত (২২) ও আবু বক্কর সিদ্দিক (১৬) এখনো চিকিৎসাধীন। বাদশা মিয়ার শরীরের তিন শতাংশ দগ্ধ, আরাফাতের ২ শতাংশ ও আবু বক্কর সিদ্দিকের ২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাদের উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।
কাজী আল-আমিন/বিএ
What's Your Reaction?