ধূসর হয়েছে গোলাপি বাস, ফের নজর ঘুরেছে ই-টিকিটে

ঢাকা মহানগরে গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে এখন পর্যন্ত সব উদ্যোগই ভেস্তে গেছে। অসম প্রতিযোগিতা রোধ, যত্রতত্র যাত্রী ওঠা-নামা না করা, ই-টিকেটিং, সৌন্দর্য ও বাস সহজে চিহ্নিত করতে গোলাপি রং করাসহ কোনো পদক্ষেপই আলোর মুখ দেখেনি। বাস রুট রেশনালাইজেশন চলছে খুঁড়িয়ে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সবশেষ গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে পুরোনো লক্কড়-ঝক্কড় বাসে গোলাপি রং করা হয়। চালু করা হয় ই-টিকেটিং কাউন্টার। পর্যায়ক্রমে সব বাসে রং করার কথা ছিল। তবে বাস্তবতা হচ্ছে- ই-টিকেটিং কাউন্টার খুললেও সেটা এক সপ্তাহও চালু ছিল না। রাস্তার মাঝখানে শরীর বাঁকিয়ে যাত্রী তোলা-নামানোও থামেনি। উল্টো গোলাপি বাসগুলো আবার রেষারেষি করতে করতে ছাল-চামড়া উঠে ধূসর হয়েছে। ট্রাফিক বিভাগের ‘এখানে বাস থামবে’ লেখা সাইনবোর্ডগুলো আজীবন এক জায়গায় স্থির থাকলেও বাস ওই নির্দিষ্ট স্থান দেখেই না! এটাই ঢাকা শহরের গণপরিবহনের বাস্তবতা। কয়েক দফায় নগর পরিবহন চালু হলেও নানা কারণে তার সুফল পাননি যাত্রীরা। সবশেষ এসি বাসগুলো দিয়ে যে সেবা চালু করা হয়েছিল, সেগুলোও বন্ধের পথে। হয়তো বর্তমান সরকার এ বিষয়ে নতুন করে কোনো উদ্যোগ নেবে। যে উদ্যোগই নেওয়া হোক,

ধূসর হয়েছে গোলাপি বাস, ফের নজর ঘুরেছে ই-টিকিটে

ঢাকা মহানগরে গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে এখন পর্যন্ত সব উদ্যোগই ভেস্তে গেছে। অসম প্রতিযোগিতা রোধ, যত্রতত্র যাত্রী ওঠা-নামা না করা, ই-টিকেটিং, সৌন্দর্য ও বাস সহজে চিহ্নিত করতে গোলাপি রং করাসহ কোনো পদক্ষেপই আলোর মুখ দেখেনি। বাস রুট রেশনালাইজেশন চলছে খুঁড়িয়ে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সবশেষ গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে পুরোনো লক্কড়-ঝক্কড় বাসে গোলাপি রং করা হয়। চালু করা হয় ই-টিকেটিং কাউন্টার। পর্যায়ক্রমে সব বাসে রং করার কথা ছিল। তবে বাস্তবতা হচ্ছে- ই-টিকেটিং কাউন্টার খুললেও সেটা এক সপ্তাহও চালু ছিল না। রাস্তার মাঝখানে শরীর বাঁকিয়ে যাত্রী তোলা-নামানোও থামেনি। উল্টো গোলাপি বাসগুলো আবার রেষারেষি করতে করতে ছাল-চামড়া উঠে ধূসর হয়েছে। ট্রাফিক বিভাগের ‘এখানে বাস থামবে’ লেখা সাইনবোর্ডগুলো আজীবন এক জায়গায় স্থির থাকলেও বাস ওই নির্দিষ্ট স্থান দেখেই না! এটাই ঢাকা শহরের গণপরিবহনের বাস্তবতা।

কয়েক দফায় নগর পরিবহন চালু হলেও নানা কারণে তার সুফল পাননি যাত্রীরা। সবশেষ এসি বাসগুলো দিয়ে যে সেবা চালু করা হয়েছিল, সেগুলোও বন্ধের পথে। হয়তো বর্তমান সরকার এ বিষয়ে নতুন করে কোনো উদ্যোগ নেবে। যে উদ্যোগই নেওয়া হোক, ডিটিসিএ সহযোগিতা করবে।-ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মো. মশিউর রহমান 

এক যুগ আগে বাস রুট রেশনালাইজেশনের উদ্যোগ নিয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এর অংশ হিসেবে ধানমন্ডি-আজিমপুরে চক্রাকার বাস, ঘাটারচর-কাঁচপুর নগর পরিবহন চালুসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের কোনো উদ্যোগেই সুফল মেলেনি। উল্টো দীর্ঘ এ সময়ে ঢাকার সড়কে বিশৃঙ্খলা বেড়েছে কয়েকগুণ।

এ পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের চাপে ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি আব্দুল্লাহপুর থেকে ঢাকাগামী সব বাস নিয়ে কাউন্টার পদ্ধতি ও ই-টিকেটিং চালু করে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। একই সঙ্গে সব বাস গোলাপি রং করা হয়। কিন্তু পরিবহন শ্রমিকদের বাধাসহ নানা কারণে মালিক সমিতির ওই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

এখন আবার ঢাকা মহানগর ও শহরতলির গণপরিবহন ব্যবস্থা শৃঙ্খলাবদ্ধ, স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে কাউন্টারভিত্তিক ই-টিকেটিং পদ্ধতিতে বাস পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। এটি বাস্তবায়ন হলে যাত্রীদের ই-টিকিট কেটে বাসগুলোতে ভ্রমণ করতে হবে। যত্রতত্র বাসে ওঠা-নামা করা যাবে না। যদিও ওই উদ্যোগ বাস্তবায়নেও ধীরগতি।

বাস রুট রেশনাইলেশনের নগর পরিবহন

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) সূত্র জানায়, বর্তমানে ঢাকা মহানগরে শতাধিক কোম্পানির প্রায় ছয় হাজার বাস যাত্রী পরিবহন করে। ২০১৫ সালে ছয়টি কোম্পানির অধীনে নগরে বাস চালানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক। তখন আনিসুল হককে প্রধান করে বাস রুট রেশনালাইজেশনে একটি কমিটি গঠন করে সরকার। ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর আনিসুল হক মারা যান। পরে বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র সাঈদ খোকন। তিনি পাইলট হিসেবে ধানমন্ডি-আজিমপুরে চক্রাকার বাস চালু করেন। করোনার সময় তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে আর তা চালু হয়নি।

২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র হন শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর থেকে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর পর্যন্ত (২১ নম্বর রুট) ঢাকা নগর পরিবহন চালু করেন। এরপর ২০২২ সালের ১৩ অক্টোবর ঘাটারচর থেকে নারায়ণগঞ্জের পাগলা (২৬ নম্বর রুট) ও ঘাটারচর থেকে রাজধানীর উত্তরায় (২২ নম্বর রুট) নগর পরিবহন চালুর উদ্যোগ নেন। কিন্তু এ পদ্ধতিতে লোকসান হওয়ায় বাস দিতে রাজি হচ্ছিলেন না মালিকরা। ফলে তা আর বাস্তবায়ন হয়নি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মূলত নগর পরিবহন সেবা (২১ নম্বর রুট) পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর মাঝে ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিশেষায়িত বাস পরিষেবার আওতায় গাবতলী-চাষাঢ়া (নারায়ণগঞ্জ) রুটে ৩৫টি এসি বাস দিয়ে ফের নগর পরিবহন চালু করে ডিটিসিএ। একপর্যায়ে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়।

গত ১৬ বছর ধরে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ঢাকা শহরে বাস-মিনিবাস চুক্তিতে যাত্রী পরিবহন করেছে। এতে রুটে গাড়ি চলাচলে অসম প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। তাই নিয়ম করা হয়েছিল গোলাপি বাসে নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া সড়কে গাড়ি দাঁড় করানো যাবে না এবং যাত্রী ওঠানো যাবে না। কিন্তু নানা কারণে সেটি আর বাস্তবায়ন হয়নি।-ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক কাজী মো. জোবায়ের মাসুদ

এমন অবস্থায় গত ২ মার্চ সচিবালয়ে ঢাকা মহানগরে গণপরিবহনে দ্রুত শৃঙ্খলা ফেরানোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে ইলেকট্রিক বাসভিত্তিক গণপরিবহন চালুর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে তা কতটা আলোর মুখ দেখবে, তা দেখার বিষয়।

জানতে চাইলে ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মো. মশিউর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঢাকায় ইলেকট্রিক বাসভিত্তিক গণপরিবহন নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ডিটিসিএ এখনো কোনো দিক-নির্দেশনা পায়নি। হয়তো এ ধরনের গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু করতে বিআরটিসিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

নগর পরিবহনের বিষয়ে ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘কয়েক দফায় নগর পরিবহন চালু হলেও নানা কারণে তার সুফল পাননি যাত্রীরা। সবশেষ এসি বাসগুলো দিয়ে যে সেবা চালু করা হয়েছিল, সেগুলোও বন্ধের পথে। হয়তো বর্তমান সরকার এ বিষয়ে নতুন করে কোনো উদ্যোগ নেবে। যে উদ্যোগই নেওয়া হোক, ডিটিসিএ সহযোগিতা করবে।’

বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্বে আছেন ডিটিসিএ এর নির্বাহী পরিচালক। এ কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘বাস রুট রেশনালাইজেশনের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। ঢাকায় কোন রুটে কয়টি বাস চলবে, কী পদ্ধতিতে চলবে তার সবকিছু প্রায় চূড়ান্ত। সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাকি কাজ সম্পন্ন হবে।’

গোলাপি বাস এখন ধূসর

২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নিয়ে রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর থেকে ২১টি কোম্পানির দুই হাজার ৬১০টি বাস নিয়ে গোলাপি রঙের বাস সেবা চালু করে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। তবে সব জায়গায় কাউন্টার ও ই-টিকেটিং পদ্ধতি না থাকা, পরিবহন শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে আপত্তি থাকায় শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়ে এ পরিবহন সেবা। যদিও নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট স্টপেজ থেকে যাত্রী ওঠানামা, ভাড়া নিয়ে গণ্ডগোল না করে টিকিট শো করা, এক স্টপেজে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে এ সেবা চালু নিয়ে বেশ উৎফুল্ল ছিলেন যাত্রীরা। বাসগুলো অসম প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে আগের লক্কড়-ঝক্কড় চেহারায় ফিরে গেছে।

মালিক সমিতির নেতারা জানান, গোলাপি বাস সেবার শুরুর দিন থেকেই চরম অসযোগিতা করে আসছিলেন কিছু বাসমালিক বা চালক। তারা এসব নিয়ম মানতে নারাজ। আগের মতো যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা ও চুক্তিতে বাস চালাতে চান তারা। এ কারণে সেবাটি বেশিদিন টেকেনি।

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক কাজী মো. জোবায়ের মাসুদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত ১৬ বছর ধরে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ঢাকা শহরে বাস-মিনিবাস চুক্তিতে যাত্রী পরিবহন করেছে। এতে রুটে গাড়ি চলাচলে অসম প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। তাই নিয়ম করা হয়েছিল গোলাপি বাসে নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া সড়কে গাড়ি দাঁড় করানো যাবে না এবং যাত্রী ওঠানো যাবে না। যাত্রীরাও নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে বাসে উঠবেন। ফলে পরিবহনে অতিরিক্ত যাত্রী নিতে চালকদের ওপর চাপ কমবে। সড়কে অনেকাংশে শৃঙ্খলা ফিরবে। কিন্তু নানা কারণে সেটি আর বাস্তবায়ন হয়নি।’

নতুন করে ই-টিকেটিংয়ের উদ্যোগ

ঢাকা মহানগর ও শহরতলির গণপরিবহন ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ, স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে কাউন্টারভিত্তিক ই-টিকেটিং পদ্ধতিতে বাস পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। গত ১৯ জানুয়ারি রাজধানীর একটি হোটেলে তারা যৌথভাবে এ ঘোষণা দেয়। এর আগে সবশেষ গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। তার আগেও এ সিস্টেম চালু করেও নিয়মিত করতে পারেনি সরকার।

তখন বলা হয়েছিল, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ই-টিকেটিং ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু করা হবে। এটি চালু হলে সব বাস নির্ধারিত স্টপেজে যাত্রী তুলবে ও নামাবে। সব যাত্রীকে অ্যাপ অথবা নির্ধারিত ডিভাইসের মাধ্যমে ই-টিকিট সংগ্রহ করে বাসে উঠতে হবে। সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করা যাবে না এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আগের মতোই অর্ধেক ভাড়া নেওয়া হবে। এরপর থেকে যাত্রীদের ই-টিকিট কেটে বাসগুলোতে ভ্রমণ করতে হবে। এ ব্যবস্থায় কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে আরবানমুভ টেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন রুটের পরিবহন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ঢাকার ৮০০শ’র বেশি বাসস্টপেজে কিউআর কোড থাকবে। যাত্রীরা তা স্ক্যান করে অ্যাপ ডাউনলোড করে নিজেরাই টিকিট কাটতে পারবেন।

স্মার্টফোন ব্যবহার না করা যাত্রীদের জন্য সাড়ে তিন হাজারের বেশি টিকিট মাস্টার থাকবেন। তাদের কাছ থেকেও টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। তবে এত প্রস্তুতি থাকার পরও মঙ্গলবার (৪ মার্চ) পর্যন্ত এ সেবা নগরে চালু হয়নি। কবে হবে তাও সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারেননি তারা।

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি সূত্র জানায়, ই-টিকেটিং ও কাউন্টার পদ্ধতিতে বাস পরিচালনার জন্য সাবেক সড়ক পরিবহন উপদেষ্টার নির্দেশনা ছিল। সে অনুযায়ী মালিক সমিতি তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। তবে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন থাকায় তার আগে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি। কারণ, নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগ থেকে ঢাকা থেকে প্রায় আড়াই হাজার বাস রিকুইজেশন করেছিল পুলিশ। এখন নতুন সরকার গঠন হয়েছে। এ নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে।

জানতে চাইলে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, সড়ক শৃঙ্খলা ফেরাতে ই-টিকেটিং এবং কাউন্টার পদ্ধতির বিকল্প নেই। শিগগির এ কার্যক্রম চালু করা হবে।’ তবে ঠিক কবে, তা সুনির্দিষ্ট করে বলেননি তিনি।

এমএমএ/এএসএ/এমএফএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow