নতুন অর্থবছরেও সুখবর নেই রপ্তানি আয়ে

রপ্তানিকারক ও অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো। বড় লক্ষ্য নিয়েও নতুন অর্থবছরের শুরুতেই ধাক্কা খেলো দেশের রপ্তানি আয়। শুরুতেই নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি আগামী কয়েক মাসে রপ্তানি খাতের গতি নিয়ে তৈরি করছে নতুন উদ্বেগ। নীতিনির্ধারকদের প্রত্যাশা ছিল, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ায় এবং অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির উন্নতির ফলে রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় ফিরবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। চলমান জ্বালানি সংকট, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া ও আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যে নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসেই রপ্তানি আয়ে পতন, যা রপ্তানি খাতের সামনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো আরও স্পষ্ট করে তুলছে। সোমবার (৩ আগস্ট) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ০ দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের বছরের জুলাইয়ে রপ্তানি আয় ছিল ৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। আরও পড়ুন রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থতার ভার নিয়েই নতুন অর্থবছরে যাত্রা দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈ

নতুন অর্থবছরেও সুখবর নেই রপ্তানি আয়ে

রপ্তানিকারক ও অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো। বড় লক্ষ্য নিয়েও নতুন অর্থবছরের শুরুতেই ধাক্কা খেলো দেশের রপ্তানি আয়। শুরুতেই নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি আগামী কয়েক মাসে রপ্তানি খাতের গতি নিয়ে তৈরি করছে নতুন উদ্বেগ।

নীতিনির্ধারকদের প্রত্যাশা ছিল, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ায় এবং অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির উন্নতির ফলে রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় ফিরবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। চলমান জ্বালানি সংকট, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া ও আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যে নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসেই রপ্তানি আয়ে পতন, যা রপ্তানি খাতের সামনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ০ দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের বছরের জুলাইয়ে রপ্তানি আয় ছিল ৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পেও নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। জুলাই মাসে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৫ সালের জুলাইয়ের ৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।

এর মধ্যে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ১ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ০ দশমিক ৯০ শতাংশ কম। আর ওভেন পোশাক রপ্তানি ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারে।

কেন নেতিবাচক ধারা অব্যাহত

উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতি এবং বৈশ্বিক বাজারে ক্রয়াদেশের ধীরগতির প্রভাব আগামী কয়েক মাসেও রপ্তানি প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন রপ্তানিকারক ও বিশেষজ্ঞরা।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি খুব একটা অপ্রত্যাশিত নয়। বৈশ্বিক অর্থনীতি এখনো নানান ধরনের চাপের মধ্যে রয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও যুদ্ধের প্রভাবে অনেক দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, যা বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে প্রতিফলিত হচ্ছে।-সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন 

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন জাগো নিউজকে বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি খুব একটা অপ্রত্যাশিত নয়। বৈশ্বিক অর্থনীতি এখনো নানা ধরনের চাপের মধ্যে রয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও যুদ্ধের প্রভাবে অনেক দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, যা বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে প্রতিফলিত হচ্ছে।’

তার মতে, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতাই প্রধান কারণ। বিশেষ করে যেসব দেশ বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার, সে সব দেশের অর্থনীতির পরিস্থিতি ও ক্রেতাদের চাহিদা কী অবস্থায় আছে, সেটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।’

‘সুতরাং, বর্তমান রপ্তানি পরিস্থিতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা এবং দেশের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার বাস্তবতা- দুই দিকই বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত,’ বলেন ফাহমিদা।

জুলাই মাসের পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধির বিষয়ে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি গত বছরের একই মাসের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কমে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে, যা গত বছর জুলাইয়ে ছিল ৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার।’

পোশাক শিল্প যখন নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে তীব্র গ্যাস সংকট ও চলমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা- সেই সময়ে একক মাসে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার অর্জন একটি ভালো শুরু।-বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান

২০২৫ সালের জুলাই মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে এই উচ্চ রপ্তানির তুলনায় প্রবৃদ্ধি অর্জন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। সেই উচ্চ রপ্তানির তুলনায় বর্তমান ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার অর্জনকে নেতিবাচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।’

মাহমুদ হাসান বলেন, ‘পোশাক শিল্প যখন নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে তীব্র গ্যাস সংকট ও চলমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা- সেই সময়ে একক মাসে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার অর্জন একটি ভালো শুরু।’

‘জুলাই মাসে বিজিএমইএ সম্পাদিত ইউডি (কাঁচামাল ব্যবহারের ঘোষণাপত্র) পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে (জুলাই ২০২৫-এর তুলনায়)। অর্থাৎ, রপ্তানিতে চলমান স্থবিরতা দীর্ঘায়িত হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা, বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তা দূর করতে পারলে এবং প্রয়োজনীয় নীতি-সহায়তা পেলে আগামী মাসগুলোতে প্রবৃদ্ধির ধারা ফিরে আসবে বলে আমরা আত্মবিশ্বাসী,’ মন্তব্য এ ব্যবসায়ী নেতার।

বিজিএমইএ শিল্পের ইতিবাচক ধারা ও প্রতিযোগী সক্ষমতা বজায় রাখতে সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সাম্প্রতিক রপ্তানি পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে এ রপ্তানিকারক বলেন, ‘এটি প্রত্যাশিতই ছিল। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক- উভয় সংকটের কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় আমরা আগেই ধারণা করেছিলাম যে রপ্তানিতে পতনের ধারা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘রপ্তানি খাত ঘুরে দাঁড়াতে সময় লাগবে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের শেষ দিকে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরতে পারে।’

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, সামনের দিনগুলোতে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো গ্যাস সংকট, যা উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এ সংকট দ্রুত সমাধান করা না হলে আগামী মাসগুলোতে দেশের রপ্তানি আরও নিম্নমুখী হতে পারে।’

নেতিবাচক শুরু চিন্তার বিষয়

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেই রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি উদ্বেগজনক। গত অর্থবছরেও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ছিল। ফলে এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং সাম্প্রতিক সময়ের একটি ধারাবাহিক প্রবণতার প্রতিফলন।’

বর্তমানে বৈশ্বিক বাজারে চাহিদার সংকোচন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির মতো বাহ্যিক চাপ রপ্তানিকে প্রভাবিত করছে বলে মনে করেন তিনি।

রপ্তানিখাত ঘুরে দাঁড়াতে হলে শুধু উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করলেই হবে না। উৎপাদন ব্যয় কমানো, ব্যবসা পরিচালনার প্রতিবন্ধকতা দূর করা ও রপ্তানিকারকদের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতি সহায়তা দরকার।-সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান

একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়া ও বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন-সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতার কারণে রপ্তানিকারকদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন এ অর্থনীতিবিদ।
মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, ‘এই বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ- দুই ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মিলিত প্রভাবই বর্তমান রপ্তানি পরিসংখ্যানে প্রতিফলিত হয়েছে। তাই পরিস্থিতি উদ্বেগের। এ অবস্থায় সম্প্রতি ইপিবি যে ১৫ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, বিদ্যমান বাস্তবতায় সেটি অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন হবে।’

‘রপ্তানিখাত ঘুরে দাঁড়াতে হলে শুধু উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করলেই হবে না। উৎপাদন ব্যয় কমানো, ব্যবসা পরিচালনার প্রতিবন্ধকতা দূর করা ও রপ্তানিকারকদের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতি সহায়তা দেওয়ার পরামর্শ দেন মোস্তাফিজুর রহমান।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে অর্থবছর শেষে আয় হয় ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গত অর্থবছর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও চলতি (২০২৬-২৭) অর্থবছরের জন্য আরও ৮ দশমিক ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাড়িয়ে ৬৩ দশমিক ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

প্রধান প্রধান খাতের রপ্তানি আয়

২০২৬ সালের জুলাই মাসে হিমায়িত মাছ ও জীবন্ত মাছ রপ্তানি থেকে আয় ১৩ দশমিক ২৮ শতাংশ কমে ৩৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় ছিল ৪১ মিলিয়ন ডলার।

কৃষিপণ্য রপ্তানিতেও নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ খাতের রপ্তানি আয় ৯ শতাংশ কমে ৮২ মিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। তবে প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে প্রায় ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ মিলিয়ন ডলারে।

তবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি আয়কারী খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ভালো রপ্তানি করেছে। জুলাই মাসে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ১৩১ মিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৮১ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে চামড়ার জুতা রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭৮ মিলিয়ন ডলার, যা ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

পাট ও পাটজাত পণ্যও রপ্তানি খাত জুলাই মাসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। এ খাতের রপ্তানি আয় ৫৪ শতাংশ বেড়ে ৮৫ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গত বছরের জুলাইয়ে এ খাত থেকে আয় ছিল ৫৫ মিলিয়ন ডলার।

এছাড়া হোম টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭৮ মিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের ৬৮ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেশি। চামড়াবিহীন জুতা (নন-লেদার ফুটওয়্যার) রপ্তানি আয় ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়ে ৫৪ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৫১ মিলিয়ন ডলার।

আইএইচও/এএসএ/এমএফএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow