নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশের রিজার্ভ

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে প্রায় ৪৫ মাস পর গ্রস রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। সোমবার দিন শেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এর আগে গত বুধবার এই রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, সর্বশেষ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে দেশের গ্রস রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে যায়। এরপর ধারাবাহিকভাবে কমতে কমতে ২০২৪ সালের আগস্টে তা ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। এর আগে গত ১৪ জুন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ১০০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা যুক্ত হওয়ার পর বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির শর্ত অনুযায়ী ২০২৩ সালের জুন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে। সে সময় এই পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল ২০২১ সালের

নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশের রিজার্ভ

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে প্রায় ৪৫ মাস পর গ্রস রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। সোমবার দিন শেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এর আগে গত বুধবার এই রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, সর্বশেষ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে দেশের গ্রস রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে যায়। এরপর ধারাবাহিকভাবে কমতে কমতে ২০২৪ সালের আগস্টে তা ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।

এর আগে গত ১৪ জুন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ১০০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা যুক্ত হওয়ার পর বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে।

আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির শর্ত অনুযায়ী ২০২৩ সালের জুন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে। সে সময় এই পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অর্থপাচার বৃদ্ধি, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের চাপসহ বিভিন্ন কারণে রিজার্ভ দ্রুত কমতে থাকে। একই সময়ে ডলারের বিনিময় হার ৮৪ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১২০ টাকায় পৌঁছে যায়। ২০২৪ সালের আগস্টে বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ নেমে আসে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে।

তবে গত বছরের আগস্টের পর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত দেশে ৩৫ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৫৩০ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। এর আগের অর্থবছরেও রেমিট্যান্স প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং রিজার্ভ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow