নতুন কোনো ধ্বনিব্যঞ্জনা
ঈদ ঈদ করে ডেকে উঠছে কোকিল।
ফুলের পাপড়িগণ মেলছে চোক্ষুযুগল।
আর নদীসমূহ ঢেউয়ে ঢেউয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে সমিল উত্তাপ।
আর পৌঁছে যাচ্ছে পৃথিবীর পাড়ায় পাড়ায়।
মিসাইলের চেয়ে শক্তিশালী ;
আলোর চেয়ে দ্রুতগামী—
এইসব আজন্ম গোলাপ আঘাত হানছে এখন মানুষের নাসিকাগহ্বরে।
মনে হচ্ছে, হিংসা ও ঘৃণারা মরে যাবে আজ।
পৃথিবী হবে মানুষের।
এখন আমি ডুব দেবো সকল আনন্দের ভেতর।
কেননা, আনন্দের মতো বহুল পঠিত কোনো আস্তিক শব্দ নেই।
কোনো অভিধানও পূর্ণ হয় না বর্ণবহুল এই বিভা ছাড়া।
মানুষ আনন্দের জন্যই তো পাড়ি মাঠ-প্রান্তর।
রাশি রাশি উচ্ছ্বাস।
রাশি রাশি ফুল।
পৃথিবীজুড়ে নামুক মহাকাব্যের রোদ।
যেন পূর্ব-পশ্চিম
উত্তর-দক্ষিণ
সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে নৃত্যরতা সূর্যোদয়।
না, কোনো আর্তনাদ আমাদের গ্রাস করবে না।
কোনো দানব আর আমাদের ঘাড়ে চেপে বসবে না।
আধিপত্য বিরোধী অনেকগুলো চোখ চাই।
অনেক জানালার মতো
কিংবা ঘরের মতোন নিরাপদ হবে আমাদের যাপন।
যেন পৃথিবী ঘুমায় মাতৃক্রোড়ে।
তার পাশে কত খেলনা স্থির হয়ে থাকে ছবির মতোন।
তাহলে শান্তি নামুক —
যেমন খেজুর বৃক্ষে দোল খায় পরিপক্ব খেজুর।
যেমন বাতাসে ওড়ে তোমা
ঈদ ঈদ করে ডেকে উঠছে কোকিল।
ফুলের পাপড়িগণ মেলছে চোক্ষুযুগল।
আর নদীসমূহ ঢেউয়ে ঢেউয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে সমিল উত্তাপ।
আর পৌঁছে যাচ্ছে পৃথিবীর পাড়ায় পাড়ায়।
মিসাইলের চেয়ে শক্তিশালী ;
আলোর চেয়ে দ্রুতগামী—
এইসব আজন্ম গোলাপ আঘাত হানছে এখন মানুষের নাসিকাগহ্বরে।
মনে হচ্ছে, হিংসা ও ঘৃণারা মরে যাবে আজ।
পৃথিবী হবে মানুষের।
এখন আমি ডুব দেবো সকল আনন্দের ভেতর।
কেননা, আনন্দের মতো বহুল পঠিত কোনো আস্তিক শব্দ নেই।
কোনো অভিধানও পূর্ণ হয় না বর্ণবহুল এই বিভা ছাড়া।
মানুষ আনন্দের জন্যই তো পাড়ি মাঠ-প্রান্তর।
রাশি রাশি উচ্ছ্বাস।
রাশি রাশি ফুল।
পৃথিবীজুড়ে নামুক মহাকাব্যের রোদ।
যেন পূর্ব-পশ্চিম
উত্তর-দক্ষিণ
সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে নৃত্যরতা সূর্যোদয়।
না, কোনো আর্তনাদ আমাদের গ্রাস করবে না।
কোনো দানব আর আমাদের ঘাড়ে চেপে বসবে না।
আধিপত্য বিরোধী অনেকগুলো চোখ চাই।
অনেক জানালার মতো
কিংবা ঘরের মতোন নিরাপদ হবে আমাদের যাপন।
যেন পৃথিবী ঘুমায় মাতৃক্রোড়ে।
তার পাশে কত খেলনা স্থির হয়ে থাকে ছবির মতোন।
তাহলে শান্তি নামুক —
যেমন খেজুর বৃক্ষে দোল খায় পরিপক্ব খেজুর।
যেমন বাতাসে ওড়ে তোমার কালো কেশ।
আর তাকে লোকেরা সৌন্দর্য বলে চিনে রাখে।
যেমন কোনো নারীর মুখের দিকে তাকালেই বোঝা যায় যাপন শীতল হচ্ছে এখন।
যেমন কোলের সন্তানের মতো হেসে ওঠে চাঁদ।
আর তখন হিংসা ক্রমশ লুপ্ত হতে থাকে।
যেমন রোজার সংযম দিগন্ত রেখা উন্মোচিত করে —
আগামী দিনের।
যেমন ইফতার ইফতার ঘ্রাণে খুলে যায় আত্মার দরজা।
যেমন ঈদের চাঁদরাত অশেষ সৌরভ ছড়ায়
সাম্য ও প্রগতির মতো।
এরকম সাধিত কিছু শব্দের ঘ্রাণ —
ধানের মতো ছড়িয়ে গেলে হতে পারতো আরাধ্য পৃথিবী।
তাহলে ছড়িয়ে পড়ো হে ঈদ।
হৃৎপিণ্ডে জড়ো হোক উচ্ছ্বাস।
গড়ে দিতে চাই আমাদের ভোর।
বর্ণমালার মতো দুলে ওঠা নতুন কোনো ধ্বনিব্যঞ্জনা।
২০ মার্চ ২০২৬