নতুন রেনো ডাস্টার হাইব্রিডে নতুনত্ব পাবেন

  রেনো ডাস্টার দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বজুড়ে একটি জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য এসইউভি হিসেবে পরিচিত। আন্তর্জাতিক বাজারে ডাস্টারের জনপ্রিয়তা একটুও কমেনি। কিন্তু কেন এত জনপ্রিয়তা, কেনই আবার আলোচনায় এই গাড়ি। সম্প্রতি বিদেশের রাস্তায় নতুন রেনো ডাস্টার হাইব্রিড-কে পরীক্ষামূলকভাবে চলতে দেখা গেছে। সেই স্পাই শট থেকেই গাড়িটির ভবিষ্যৎ রূপ ও প্রযুক্তি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা মিলেছে। এই কারণেই ফের একবার শিরোনামে উঠে এসেছে ডাস্টার। নতুন প্রজন্মের রেনো ডাস্টারের ডিজাইন আগের তুলনায় আরও চৌকো ও শক্তপোক্ত। এসইউভিটি আগের চেয়ে কিছুটা লম্বা ও চওড়া হওয়ায় রাস্তায় এর উপস্থিতি আরও দৃঢ় ও আত্মবিশ্বাসী দেখায়। নতুন ডিজাইন লাইন, উন্নত অনুপাত এবং আধুনিক এলিমেন্ট এটিকে আরও প্রিমিয়াম চেহারা দিয়েছে। তবে এই পরিবর্তনের মাঝেও ডাস্টারের মূল পরিচয় একটি সাধারণ, মজবুত ও ব্যবহারিক এসইউভি অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। যারা অতিরিক্ত ঝলমলে ডিজাইনের চেয়ে শক্তপোক্ত ও বাস্তবধর্মী এসইউভি পছন্দ করেন, তাদের কাছে নতুন ডাস্টার বিশেষ আকর্ষণীয় হতে পারে। নতুন ডাস্টারের কেবিনেও এসেছে প্রয়োজনীয় আধুনিকতার ছোঁয়া। ড্যাশবোর্ড ডিজাইন করা হয়েছে আরও পরিচ্ছন্নভাবে এবং

নতুন রেনো ডাস্টার হাইব্রিডে নতুনত্ব পাবেন

 

রেনো ডাস্টার দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বজুড়ে একটি জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য এসইউভি হিসেবে পরিচিত। আন্তর্জাতিক বাজারে ডাস্টারের জনপ্রিয়তা একটুও কমেনি। কিন্তু কেন এত জনপ্রিয়তা, কেনই আবার আলোচনায় এই গাড়ি।

সম্প্রতি বিদেশের রাস্তায় নতুন রেনো ডাস্টার হাইব্রিড-কে পরীক্ষামূলকভাবে চলতে দেখা গেছে। সেই স্পাই শট থেকেই গাড়িটির ভবিষ্যৎ রূপ ও প্রযুক্তি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা মিলেছে। এই কারণেই ফের একবার শিরোনামে উঠে এসেছে ডাস্টার।

নতুন প্রজন্মের রেনো ডাস্টারের ডিজাইন আগের তুলনায় আরও চৌকো ও শক্তপোক্ত। এসইউভিটি আগের চেয়ে কিছুটা লম্বা ও চওড়া হওয়ায় রাস্তায় এর উপস্থিতি আরও দৃঢ় ও আত্মবিশ্বাসী দেখায়। নতুন ডিজাইন লাইন, উন্নত অনুপাত এবং আধুনিক এলিমেন্ট এটিকে আরও প্রিমিয়াম চেহারা দিয়েছে।

তবে এই পরিবর্তনের মাঝেও ডাস্টারের মূল পরিচয় একটি সাধারণ, মজবুত ও ব্যবহারিক এসইউভি অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। যারা অতিরিক্ত ঝলমলে ডিজাইনের চেয়ে শক্তপোক্ত ও বাস্তবধর্মী এসইউভি পছন্দ করেন, তাদের কাছে নতুন ডাস্টার বিশেষ আকর্ষণীয় হতে পারে।

নতুন ডাস্টারের কেবিনেও এসেছে প্রয়োজনীয় আধুনিকতার ছোঁয়া। ড্যাশবোর্ড ডিজাইন করা হয়েছে আরও পরিচ্ছন্নভাবে এবং বোতামের বিন্যাস ব্যবহারবান্ধব। আগের তুলনায় ইন্টেরিয়রের মান কিছুটা উন্নত হলেও এখানে এখনও হার্ড প্লাস্টিকের ব্যবহার দেখা যায়। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, ডাস্টার নিজেকে বিলাসবহুল এসইউভি হিসেবে নয়, বরং একটি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী গাড়ি হিসেবেই তুলে ধরতে চায়।

এছাড়া আগের প্রজন্মের তুলনায় কেবিনের জায়গা আরও বাড়ানো হয়েছে। ফলে সামনের ও পেছনের যাত্রীদের জন্য আরাম আগের চেয়ে উন্নত, যা এখন এর সেগমেন্টের অন্যান্য জনপ্রিয় এসইউভির সঙ্গে সমানতালে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম।

বিশ্ববাজারে রেনো ডাস্টার একাধিক ইঞ্জিন বিকল্পে পাওয়া গেলেও সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছে এর হাইব্রিড সংস্করণ। এই সংস্করণে রয়েছে একটি ১.৬-লিটার পেট্রোল ইঞ্জিনের সঙ্গে দুটি ইলেকট্রিক মোটরের সমন্বয়। রেনোর ই-টেক হাইব্রিড সিস্টেমের কারণে শহরের কম গতিতে এসইউভিটি বেশিরভাগ সময় ইলেকট্রিক মোডেই চলতে পারে।

পারফরম্যান্সের দিক থেকে এটি খুব বেশি স্পোর্টি না হলেও, ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা বেশ মসৃণ ও আরামদায়ক। নতুন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ফলে রাইড কোয়ালিটি আগের তুলনায় অনেকটাই উন্নত হয়েছে এবং গাড়িটি চালানোর সময় আরও পরিশীলিত অনুভূতি দেয়।

নতুন ডাস্টারের হাইব্রিড সংস্করণ প্রায় ২০ কিলোমিটার প্রতি লিটার পর্যন্ত মাইলেজ দিতে সক্ষম বলে জানা গেছে। বর্তমান বাজারে জ্বালানি দক্ষতা যেহেতু একটি বড় ফ্যাক্টর, তাই এই মাইলেজ ডাস্টারকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

সেই কারণেই ধারণা করা হচ্ছে, রেনো ভারতীয় বাজারে এই হাইব্রিড সংস্করণটি চালু করতে পারে। আগামী ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬-এ ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচিত হবে নতুন প্রজন্মের রেনো ডাস্টার। এর দাম সম্পর্কে জানতে আর একটু অপেক্ষা করতে হবে।

আরও পড়ুন
কতদিন পর পর গাড়ি পরিষ্কার করানো ভালো
টেসলা সাইবারট্রাক কেন আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow