নদীর পাড়ে নিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, তরুণ আটক

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ বিজিবি ক্যাম্পপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১৯ জুলাই) সকালে ভুক্তভোগী কিশোরীর নানি বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।  মামলা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে প্রতিবন্ধী কিশোরী তার ছোট নানার বাড়ির দিকে যাচ্ছিল। এ সময় একই এলাকার রাফিউল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহ আল সাদি মুগ্ধ (১৯) তাকে মাথাভাঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর ছোট নানা মাথাভাঙ্গা নদীতে মাছ ধরার জন্য ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্ত সেখান থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মুগ্ধকে আটক করে। প্রতিবন্ধী কিশোরীর নানা জানান, আমার মেয়ের জামাই মারা যাওয়ার পর তাকে অন্যত্র বিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর থেকে আমার নাতনি আমার কাছেই থাকে। নাতনি আমার ছোট ভাইয়ের বাড়ির দিকে যাওয়া

নদীর পাড়ে নিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, তরুণ আটক

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ বিজিবি ক্যাম্পপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (১৯ জুলাই) সকালে ভুক্তভোগী কিশোরীর নানি বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। 

মামলা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে প্রতিবন্ধী কিশোরী তার ছোট নানার বাড়ির দিকে যাচ্ছিল। এ সময় একই এলাকার রাফিউল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহ আল সাদি মুগ্ধ (১৯) তাকে মাথাভাঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর ছোট নানা মাথাভাঙ্গা নদীতে মাছ ধরার জন্য ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্ত সেখান থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মুগ্ধকে আটক করে।

প্রতিবন্ধী কিশোরীর নানা জানান, আমার মেয়ের জামাই মারা যাওয়ার পর তাকে অন্যত্র বিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর থেকে আমার নাতনি আমার কাছেই থাকে। নাতনি আমার ছোট ভাইয়ের বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় মুগ্ধ তাকে তুলে নিয়ে যান। পরবর্তীতে মাথাভাঙ্গা ঘাটের পাড়ে নিয়ে নাতনিকে ধর্ষণ করেন মুগ্ধ।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মুগ্ধ নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগে এক ব্যক্তির নাম পাওয়া গেছে, তাই প্রাথমিকভাবে তাকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং আটক তরুণকে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow