নরসিংদীতে প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্রদল নেতা গুলিবৃদ্ধসহ আহত ১০
নরসিংদীর পলাশে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলি ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মাসুম মিয়া গুলিবৃদ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন ডাঙ্গা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মামুন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ অন্তত ১০ জন।
শনিবার (০১ আগস্ট) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের হাসনাহাটা ফকির বাড়ি এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ফকির বাড়ি এলাকার আওলাদ,মহসিন, সানি ও সবুজ মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার মাসুম, মামুন ও জয়নাল আবেদীনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পূর্ব বিরোধ ছিল। শনিবার রাতে ফকির বাড়ি এলাকায় একটি মুদি দোকানে অবস্থান করছিল মাসুম, মামুন ও জয়নালসহ আরও কয়েকজন। পরে পূর্ব শত্রুতার জেরে আওলাদ, মহসিন, সানি ও সবজু মিয়া দলবলসহ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মাসুমদের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় পেটে গুলিবৃদ্ধ হয়ে আহত হয় ছাত্রদল নেতা মাসুম। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের এলোপাতাড়ি কুপে গুরুত্বর আহত হয় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মামুন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ আরও অন্তত ১০ জন। পরে আহতদের আত্মচিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে হামলা
নরসিংদীর পলাশে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলি ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মাসুম মিয়া গুলিবৃদ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন ডাঙ্গা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মামুন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ অন্তত ১০ জন।
শনিবার (০১ আগস্ট) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের হাসনাহাটা ফকির বাড়ি এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ফকির বাড়ি এলাকার আওলাদ,মহসিন, সানি ও সবুজ মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার মাসুম, মামুন ও জয়নাল আবেদীনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পূর্ব বিরোধ ছিল। শনিবার রাতে ফকির বাড়ি এলাকায় একটি মুদি দোকানে অবস্থান করছিল মাসুম, মামুন ও জয়নালসহ আরও কয়েকজন। পরে পূর্ব শত্রুতার জেরে আওলাদ, মহসিন, সানি ও সবজু মিয়া দলবলসহ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মাসুমদের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় পেটে গুলিবৃদ্ধ হয়ে আহত হয় ছাত্রদল নেতা মাসুম। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের এলোপাতাড়ি কুপে গুরুত্বর আহত হয় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মামুন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ আরও অন্তত ১০ জন। পরে আহতদের আত্মচিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ মামলা করতে আসেনি।