নামাজ পড়িয়ে চোরকে ছেড়ে দিলো মাদরাসা কর্তৃপক্ষ

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদরাসায় দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরির সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে এক যুবক। পরে তাকে শাস্তি না দিয়ে অজু করিয়ে নামাজ পড়ানো এবং ভবিষ্যতে আর চুরি করবে না এমন অঙ্গীকার নেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, রাতে মাদরাসার দানবাক্স ভাঙার সময় সন্দেহভাজন অবস্থায় আটক করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই করে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন উপস্থিত লোকজন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সাড়া ফেলে। অনেকেই মাদরাসা কর্তৃপক্ষের এমন মানবিক উদ্যোগকে প্রশংসা করেছেন এবং এটিকে সমাজে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন। প্রত্যক্ষদর্শী মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা তাকে হাতেনাতে ধরি। পরে হুজুররা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে অজু করিয়ে নামাজ পড়ান এবং ভালো পথে ফেরার উপদেশ দেন। সে ভবিষ্যতে আর এমন কাজ করবে না বলে অঙ্গীকার করে। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী রোকন সরকার বলেন, ঘটনাটি ভিন্নধর্মী ছিল। সাধারণত এমন ঘটনায় মানুষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে, কিন্তু মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ধৈর্য ও মানবিকতা দেখিয়েছে। এটি সত্যিই প্রশংসনীয়। মাদরাসার মুহতামিম ইমাম হোসেন

নামাজ পড়িয়ে চোরকে ছেড়ে দিলো মাদরাসা কর্তৃপক্ষ

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদরাসায় দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরির সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে এক যুবক। পরে তাকে শাস্তি না দিয়ে অজু করিয়ে নামাজ পড়ানো এবং ভবিষ্যতে আর চুরি করবে না এমন অঙ্গীকার নেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, রাতে মাদরাসার দানবাক্স ভাঙার সময় সন্দেহভাজন অবস্থায় আটক করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই করে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন উপস্থিত লোকজন।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সাড়া ফেলে। অনেকেই মাদরাসা কর্তৃপক্ষের এমন মানবিক উদ্যোগকে প্রশংসা করেছেন এবং এটিকে সমাজে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা তাকে হাতেনাতে ধরি। পরে হুজুররা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে অজু করিয়ে নামাজ পড়ান এবং ভালো পথে ফেরার উপদেশ দেন। সে ভবিষ্যতে আর এমন কাজ করবে না বলে অঙ্গীকার করে।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী রোকন সরকার বলেন, ঘটনাটি ভিন্নধর্মী ছিল। সাধারণত এমন ঘটনায় মানুষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে, কিন্তু মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ধৈর্য ও মানবিকতা দেখিয়েছে। এটি সত্যিই প্রশংসনীয়।

মাদরাসার মুহতামিম ইমাম হোসেন মোস্তাফী জানায়, আমরা মনে করি শাস্তির চেয়ে সংশোধনই বড় বিষয়। তাই তাকে শারীরিক শাস্তি না দিয়ে আল্লাহর পথে ফেরানোর চেষ্টা করেছি। সে নিজের ভুল স্বীকার এবং আর কখনো চুরি করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এজন্য আমরা তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছি।

শরীফুল ইসলাম/এএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow