নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে ট্রাফিক সার্জেন্ট ক্লোজড
নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। রবিবার (২১ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন। তিনি জানান, গত ১৭ জুন রাতের একটি বিতর্কিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজড করা হয়। স্থানীয় সূত্র ও ট্রাফিক বিভাগের একাধিক সূত্র জানায়, দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ট্রাফিক সচেতনতামূলক বিভিন্ন ভিডিও ও কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছিলেন সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর। সেই সূত্রেই নিঝুম নামের এক নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, গত ১৭ জুন রাতে পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমারী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ওই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে অবস্থানকালে স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ হন সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন বাসাটি ঘিরে ফেলেন এবং তাদের বের হতে বাধা দেন। এ ঘটনায় আরও অভিযোগ ওঠে, ওই বাসা থেকে
নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।
রবিবার (২১ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন। তিনি জানান, গত ১৭ জুন রাতের একটি বিতর্কিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজড করা হয়।
স্থানীয় সূত্র ও ট্রাফিক বিভাগের একাধিক সূত্র জানায়, দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ট্রাফিক সচেতনতামূলক বিভিন্ন ভিডিও ও কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছিলেন সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর। সেই সূত্রেই নিঝুম নামের এক নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, গত ১৭ জুন রাতে পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমারী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ওই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে অবস্থানকালে স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ হন সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন বাসাটি ঘিরে ফেলেন এবং তাদের বের হতে বাধা দেন।
এ ঘটনায় আরও অভিযোগ ওঠে, ওই বাসা থেকে মাদকদ্রব্য (ইয়াবা) উদ্ধার করা হয়েছিল। যদিও এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার পরপরই একটি প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপ এবং মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সে সময় ঘটনাটি প্রকাশ্যে না এলেও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট, ছবি ও আলোচনা ছড়িয়ে পড়লে নতুন করে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেছে।
গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন বলেন, “পলাশবাড়ির ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজড করা হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ বিভাগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি নিয়ে জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
What's Your Reaction?