নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে ট্রাফিক সার্জেন্টকে প্রত্যাহার
গাইবান্ধায় নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর আলমকে (৩৫) দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করে ঘটনার বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। রোববার (২১ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর আলম সম্প্রতি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন কনটেন্ট তৈরি করছিলেন। এ সময় নিঝুম নামে এক নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে বলে জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, গত ১৭ জুন রাতে পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমারী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ওই নারীর সঙ্গে অবস্থানকালে স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ হন সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা বাসাটি ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে তারা সেখান থেকে বের হতে পারেননি। স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, ওই ঘটনার সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাও
গাইবান্ধায় নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর আলমকে (৩৫) দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করে ঘটনার বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর আলম সম্প্রতি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন কনটেন্ট তৈরি করছিলেন। এ সময় নিঝুম নামে এক নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে বলে জানা যায়।
অভিযোগ রয়েছে, গত ১৭ জুন রাতে পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমারী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ওই নারীর সঙ্গে অবস্থানকালে স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ হন সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা বাসাটি ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে তারা সেখান থেকে বের হতে পারেননি।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, ওই ঘটনার সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ঘটনার পর প্রভাবশালী একটি মহলের হস্তক্ষেপ এবং আর্থিক সমঝোতার মাধ্যমে ওই রাতেই সংশ্লিষ্টদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে এলাকাজুড়ে আলোচনা রয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের সত্যতা নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন বলেন, ‘১৭ জুন রাতের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর আলমকে ক্লোজড করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
অন্যদিকে পলাশবাড়ী থানার ওসি সরোয়ার আলম খান জানান, রোববার দুপুর ১টা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
What's Your Reaction?