নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারীর ক্ষমতায়নে নাগেশ্বরীতে উঠান বৈঠক

নারী ও শিশু নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, কন্যাশিশুদের সুরক্ষা এবং নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার নেওয়াশী ইউনিয়নের হাজীপাড়া গোবর্দ্ধনেরকুটি এলাকার মুন্নী নারী উন্নয়ন সংস্থা'র আয়োজনে সংস্থা কার্যালয়ের সামনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থার সভানেত্রী মুন্নী খাতুনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সোহেলী পারভীন।এছাড়াও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর শাহিন মাহমুদ বাবুল, ট্রেড প্রশিক্ষক নাজমা আক্তার, মুন্নী নারী উন্নয়ন সংস্থা'র সম্পাদিকা মাহাবুবা আক্তারসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সোহেলী পারভীন বলেন, মেয়েরা হাতের কাজ বা হস্তশিল্পের মাধ্যমে নিজেদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারে এবং ঘরে বসেই আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বড় ভূমিকা রাখছে। একই সাথে নারী নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ আমাদের সমাজের জন্য বড় অভিশাপ। এসব অপরাধ দমনে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। প্রতিটি এলাকায় সামাজিক প্র

নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারীর ক্ষমতায়নে নাগেশ্বরীতে উঠান বৈঠক

নারী ও শিশু নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, কন্যাশিশুদের সুরক্ষা এবং নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার নেওয়াশী ইউনিয়নের হাজীপাড়া গোবর্দ্ধনেরকুটি এলাকার মুন্নী নারী উন্নয়ন সংস্থা'র আয়োজনে সংস্থা কার্যালয়ের সামনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থার সভানেত্রী মুন্নী খাতুনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সোহেলী পারভীন।

এছাড়াও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর শাহিন মাহমুদ বাবুল, ট্রেড প্রশিক্ষক নাজমা আক্তার, মুন্নী নারী উন্নয়ন সংস্থা'র সম্পাদিকা মাহাবুবা আক্তারসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সোহেলী পারভীন বলেন, মেয়েরা হাতের কাজ বা হস্তশিল্পের মাধ্যমে নিজেদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারে এবং ঘরে বসেই আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বড় ভূমিকা রাখছে।

একই সাথে নারী নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ আমাদের সমাজের জন্য বড় অভিশাপ। এসব অপরাধ দমনে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। প্রতিটি এলাকায় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এবং কেউ এ ধরনের অপরাধের শিকার হলে দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে হবে। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া এ সমস্যা থেকে উত্তরণ সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow