ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা করেছে ছাত্রদল প্যানেল। প্রচারণা চালাতে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। নির্বাচনে ‘আবিদ-হামিম-মায়েদ পরিষদে’ এজিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তানভীর আল হাদী মায়েদ। অন্যান্য সব কার্যক্রমের পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের কাছে ভোট ও দোয়া চাচ্ছেন তিনি।
নিজের পরিচয় তুলে ধরে মায়েদ বলেন, আমি ছাত্রদলের প্যানেল থেকে সেন্ট্রালি এজিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আমার ব্যালট নম্বর ৮। আমি বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী।
তিনি বলেন, আমাদের ১০ দফা ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে। আপনাদের সুযোগ থাকলে পড়বেন। এ সময় তিনি আবিদ-হামিম-মায়েদ পরিষদে ভোট ও দোয়া চান।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ইশতেহার ঘোষণা করেন ছাত্রদল মনোনীত জিএস প্রার্থী তানভীর বারী হামিম।
এ সময় ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান, এজিএস প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ইশতেহার ঘোষণাকালে আবিদুল ইসলাম বলেন, আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের ডাকসু নির্বাচন আমাদের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। আমরা ১০টি মূল অঙ্গীকার সংবলিত নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করছি, যা ক্যাম্পাসকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে তুলবে। শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে আমরা একযোগে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।
ছাত্রদলের ১০ দফা ইশতেহার হলো:
১. আধুনিক, আনন্দময় ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠন।
২. নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ক্ষমতা বৃদ্ধি।
৩. শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা গ্রহণের সুবিধা।
৪. কারিকুলাম, অবকাঠামো ও পরীক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন।
৫. পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ব্যাটারিচালিত শাটল সার্ভিস।
৬. হয়রানি মুক্ত প্রশাসনিক সেবা, শিক্ষা ঋণ ও ক্যাম্পাসভিত্তিক কর্মসংস্থান।
৭. তরুণদের গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্তকরণ; ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি।
৮. ডিজিটাল সুবিধা, সাইবার সিকিউরিটি ও সাইবার বুলিং প্রতিরোধ।
৯. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজায়ন ও প্রাণীবান্ধব ক্যাম্পাস।
১০. কার্যকর ডাকসু ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, এবং নির্বাচনী ক্যালেন্ডারে নিয়মিত ডাকসু নির্বাচন।