নারীরা এগিয়ে গেলে দেশও এগিয়ে যায়: জুবাইদা রহমান

নারীরা এগিয়ে গেলে দেশও এগিয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন। রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, অদম্য মনোবলই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি। নারী দিবসের এই দিনে সততা, মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, আপসহীন বহুদলীয় গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শত অত্যাচার ও অবিচারের মধ্যেও ধৈর্য ও দৃঢ়তার সঙ্গে পথ চলেছেন। তার জীবন থেকে শেখার আছে—নারীর শক্তি তার দৃঢ়তায়, আর নেতার শক্তি তার সাহসে। দেশের নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের জন্য তার কণ্ঠ সবসময় সোচ্চার ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ডা. জুবাইদা বলেন, জাতিসংঘের একটি বহুল প্রচলিত উক্তি রয়েছে—‘নারী যখন এগিয়ে যায়, তখন একটি জাতিও এগিয়ে যায়।’ বাংলাদেশকেও এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে যেখানে প্রতিটি নারী ও ক

নারীরা এগিয়ে গেলে দেশও এগিয়ে যায়: জুবাইদা রহমান

নারীরা এগিয়ে গেলে দেশও এগিয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন।

রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, অদম্য মনোবলই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি। নারী দিবসের এই দিনে সততা, মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, আপসহীন বহুদলীয় গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শত অত্যাচার ও অবিচারের মধ্যেও ধৈর্য ও দৃঢ়তার সঙ্গে পথ চলেছেন। তার জীবন থেকে শেখার আছে—নারীর শক্তি তার দৃঢ়তায়, আর নেতার শক্তি তার সাহসে। দেশের নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের জন্য তার কণ্ঠ সবসময় সোচ্চার ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ডা. জুবাইদা বলেন, জাতিসংঘের একটি বহুল প্রচলিত উক্তি রয়েছে—‘নারী যখন এগিয়ে যায়, তখন একটি জাতিও এগিয়ে যায়।’ বাংলাদেশকেও এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে যেখানে প্রতিটি নারী ও কন্যাশিশু নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের অধিকারী হবে।

তিনি বলেন, নারীর সাহস, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বই দেশের আগামীর পথকে আলোকিত করবে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস হোক সমতা, মর্যাদা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার নতুন অঙ্গীকারের দিন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ছয়জন বিশিষ্ট নারীকে ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী হিসেবে নুরবানু কবীর, নির্যাতন থেকে উঠে এসে জীবন সংগ্রামে জয়ী হওয়ার স্বীকৃতিতে মোছা. শমলা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অবদানের জন্য মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন সম্মাননা গ্রহণ করেন।

জেপিআই/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow