নাশতা খেয়ে অসুস্থ ৬০ হাসপাতাল কর্মী

দিনাজপুরে একটি রেস্টুরেন্ট থেকে আনা খাবার খেয়ে গার্ক চক্ষু হাসপাতালের অন্তত ৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। খাদ্যে বিষক্রিয়ার আশঙ্কায় তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।  একইসঙ্গে হাসপাতালটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (০১ মে) মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পাশের রেস্টুরেন্ট থেকে আনা ফ্রাই রোল ও ক্লাব স্যান্ডউইচ নাশতা হিসেবে পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে দুপুরের পর থেকেই একে একে অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।  বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতাল, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে মোট ৬০ জনকে ভর্তি করা হয়। অসুস্থদের মধ্যে বমি, পেটব্যথা, ডায়রিয়া ও দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা গেছে বলে চিকিৎসকরা জানান।  প্রাথমিকভাবে এটিকে খাদ্যে বিষক্রিয়া হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সঠিক কারণ জানতে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ। দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতা

নাশতা খেয়ে অসুস্থ ৬০ হাসপাতাল কর্মী

দিনাজপুরে একটি রেস্টুরেন্ট থেকে আনা খাবার খেয়ে গার্ক চক্ষু হাসপাতালের অন্তত ৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। খাদ্যে বিষক্রিয়ার আশঙ্কায় তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। 

একইসঙ্গে হাসপাতালটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার (০১ মে) মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পাশের রেস্টুরেন্ট থেকে আনা ফ্রাই রোল ও ক্লাব স্যান্ডউইচ নাশতা হিসেবে পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে দুপুরের পর থেকেই একে একে অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। 

বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতাল, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে মোট ৬০ জনকে ভর্তি করা হয়।

অসুস্থদের মধ্যে বমি, পেটব্যথা, ডায়রিয়া ও দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা গেছে বলে চিকিৎসকরা জানান। 
প্রাথমিকভাবে এটিকে খাদ্যে বিষক্রিয়া হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সঠিক কারণ জানতে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ।

দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. ফজলুর রহমান জানান, সন্ধ্যার পর ৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সিভিল সার্জন আসিফ ফেরদৌস জানান, সদর হাসপাতালে একজন শিশুসহ ১৪ জন ও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সবার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তাদের সবাইকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 

এদিকে, ঘটনার পর রাতে রেস্টুরেন্টটিতে অভিযান চালায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। নিরাপদ খাদ্য অফিসার গৌতম কুমার সাহা বলেন, রেস্টুরেন্ট থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত ফ্রাই রোল ও ক্লাব স্যান্ডউইচ প্রস্তুত কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow