নিউ মিডিয়া শুধু বিনোদন নয়, জীবন পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম : সালাউদ্দিন সুমন
অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে ‘নিউ মিডিয়া এবং ডিজিটাল কালচার’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সালাউদ্দিন সুমন।
শনিবার (০৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে নিউ মিডিয়ার প্রভাব, ডিজিটাল সংস্কৃতি, দায়িত্বশীল কনটেন্ট নির্মাণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ও প্রভাষক জোবায়ের আহমেদ অতিথিদের স্বাগত জানান। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগের শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল মিডিয়া সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ও নৈতিক চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সচিব মো. কামরুজ্জামান লিটু বলেন, ‘নিউ মিডিয়া তরুণদের জন্য অসীম সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। তবে এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা ও ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখতে হবে।’
সেমিনারের মূল বক্তা সালাউদ্দিন সুমন নিউ মিডিয়ার বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তার আলোচনায় তিনি উল্লেখ করেন, সোশ্যাল
অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে ‘নিউ মিডিয়া এবং ডিজিটাল কালচার’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সালাউদ্দিন সুমন।
শনিবার (০৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে নিউ মিডিয়ার প্রভাব, ডিজিটাল সংস্কৃতি, দায়িত্বশীল কনটেন্ট নির্মাণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ও প্রভাষক জোবায়ের আহমেদ অতিথিদের স্বাগত জানান। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগের শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল মিডিয়া সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ও নৈতিক চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সচিব মো. কামরুজ্জামান লিটু বলেন, ‘নিউ মিডিয়া তরুণদের জন্য অসীম সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। তবে এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা ও ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখতে হবে।’
সেমিনারের মূল বক্তা সালাউদ্দিন সুমন নিউ মিডিয়ার বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তার আলোচনায় তিনি উল্লেখ করেন, সোশ্যাল মিডিয়া শুধু বিনোদনের জায়গা নয়, এটি এখন মানুষের মতপ্রকাশ, সচেতনতা সৃষ্টি এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম। তরুণদের উচিত সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল কনটেন্ট তৈরিতে মনোযোগী হওয়া।
জাগো ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার আসিফ মাহামুদ বলেন, ‘ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। তরুণদের প্রযুক্তিকে মানবিক ও সামাজিক উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করতে হবে।’
অনুষ্ঠানের শেষ দিকে জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের উপদেষ্টা আলমগীর স্বপন জানান, নিউ মিডিয়ার এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় সবাইকে শুধু প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ হলেই চলবে না, নৈতিকতা ও সমালোচনামূলক চিন্তার চর্চা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. আব্দুল কাইউম সরদার ও পরিচালক (অর্থ) সৈয়দা সারাহ আনওয়ার ও জার্নালিজম বিভাগের প্রভাষক কেয়া বোস ও প্রভাষক ফরহাদ আলম। উক্ত সেমিনারে বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, কো-অর্ডিনেটর, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।