নির্বাচিত হলে পুরান ঢাকার চেহারা বদলে দেব : ডিএসসিসি প্রশাসক

জনগণের সহযোগিতা পেলে এবং নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হলে দুই-তিন বছরের মধ্যে পুরান ঢাকার চেহারা বদলে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাজের প্রশংসা করে মো. আব্দুস সালাম বলেন, তাদের দায়িত্বশীল কাজের কারণে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সন্তুষ্ট হয়ে প্রধানমন্ত্রী তার নিজস্ব তহবিল থেকে কর্মীদের জন্য বিশেষ পুরস্কার দিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে বিরল। তিনি জানান, এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদ উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য বিশেষ পুরস্কার দিয়েছেন এবং এ জন্য তিনি সবার কাছে তার জন্য দোয়া কামনা করেন। পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উদ্দেশে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, তিনি নতুন নন বরং দীর্ঘদিন ধরেই সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তাদের অভাব-অভিযোগ ও দুঃখ-কষ্ট সম্পর্কে অবগত আছেন। দায়িত্ব গ্রহণের সময় বে

নির্বাচিত হলে পুরান ঢাকার চেহারা বদলে দেব : ডিএসসিসি প্রশাসক

জনগণের সহযোগিতা পেলে এবং নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হলে দুই-তিন বছরের মধ্যে পুরান ঢাকার চেহারা বদলে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাজের প্রশংসা করে মো. আব্দুস সালাম বলেন, তাদের দায়িত্বশীল কাজের কারণে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সন্তুষ্ট হয়ে প্রধানমন্ত্রী তার নিজস্ব তহবিল থেকে কর্মীদের জন্য বিশেষ পুরস্কার দিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে বিরল।

তিনি জানান, এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদ উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য বিশেষ পুরস্কার দিয়েছেন এবং এ জন্য তিনি সবার কাছে তার জন্য দোয়া কামনা করেন।

পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উদ্দেশে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, তিনি নতুন নন বরং দীর্ঘদিন ধরেই সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তাদের অভাব-অভিযোগ ও দুঃখ-কষ্ট সম্পর্কে অবগত আছেন। দায়িত্ব গ্রহণের সময় বেতন-বোনাস দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলেও তিনি কর্মীদের বোনাস প্রদান করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে বেতন নিলেও কাজ করেন না, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিদায় করা হবে। মাঠে যারা কাজ করেন, তারাই প্রকৃত কর্মী এবং তারাই দায়িত্ব পালন করবেন।

শহর পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে কঠোর অবস্থান জানিয়ে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা ও বিদ্যুতের ব্যাপারে কোনো আপস নেই। প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রয়োজন অনুযায়ী ট্রাক সরবরাহ করে ময়লা অপসারণ নিশ্চিত করা হবে এবং কোথাও আবর্জনা জমে থাকতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। এ জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং শহরকে বসবাসযোগ্য রাখতে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আব্দুস সালাম বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমের কারণেই তারা প্রধানমন্ত্রীর নজরে এসেছেন এবং বিশেষভাবে পুরস্কৃত হয়েছেন। তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া কামনা করেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী অনেক কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও সুযোগ পেলে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

তিনি উপস্থিত কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সবার টাকা ইতোমধ্যে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে। কেউ টাকা না পেলে সরাসরি তাকে জানাতে বলেন এবং শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে অর্থ বিতরণের নিশ্চয়তা দেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow