নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা নিবাস মজুমদার ৫ দিনের রিমান্ডে
নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নিবাস মজুমদারকে পাঁচ দিনের পুলিশি রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রাজধানীর মহাখালী এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে রিমান্ডে পাঠানো হলো। রোববার (২ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জরুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফ রেজা জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিবাস মজুমদারকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আরও পড়ুন ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি / একজন ফোন করে জানান, আমার ভাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। সেদিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য ২ আগস্ট দিন ধার্য
নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নিবাস মজুমদারকে পাঁচ দিনের পুলিশি রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রাজধানীর মহাখালী এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে রিমান্ডে পাঠানো হলো।
রোববার (২ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জরুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফ রেজা জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিবাস মজুমদারকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। সেদিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য ২ আগস্ট দিন ধার্য করেছিলেন।
এদিন শুনানিতে আসামিপক্ষ রিমান্ড আবেদন নাকচ করে জেলগেটে কিংবা কারাগারের ভেতরে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানায়। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ মামলার তদন্তের স্বার্থে রিমান্ড প্রয়োজন বলে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিবাস মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে আরও জানা গেছে, বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং ‘শেখ হাসিনা সৈনিক সেন্ট্রাল’ নামে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন বলে তথ্য মিলেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং ককটেল বিস্ফোরণে ব্যবহৃত বিস্ফোরকের উৎস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য নিবাসকে পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৮ জুন সকালে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় নিবাস মজুমদারসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী মিছিল করেন। এ সময় সরকারবিরোধী স্লোগান, ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ।
পরবর্তীতে গত ২৭ জুলাই নিবাস মজুমদারকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলছে।
এমডিএএ/কেএসআর
What's Your Reaction?

