‘নুরের নির্দেশ ছিল, গ্রেফতার হলেও আন্দোলন থামবে না’
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে দেশে এখনো চলছে নানান রাজনৈতিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ। কে কতটা ভূমিকা রেখেছে, কোন শক্তি আন্দোলনের সূচনায় ছিল, আবার কারা শেষ পর্যন্ত রাজপথে থেকে আন্দোলনকে সরকার পতনের দিকে নিয়ে গেছে—এসব প্রশ্ন এখনো আলোচনায়। এই আলোচনার মধ্যেই নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)। দলটির দাবি, ২০২৪ সালের আন্দোলন হঠাৎ করে হয়নি। এর শিকড় ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে। সেই আন্দোলনের ‘লিগ্যাসি’ বহন করার কারণেই শুরু থেকেই তারা এটিকে নিজেদের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখেছে। জাগো নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দলের মুখপাত্র আবু হানিফ আন্দোলনের সূচনা, রাজপথের ভূমিকা, দলীয় নির্দেশনা, গ্রেফতার-নির্যাতনের অভিজ্ঞতা, আন্দোলনে হতাহত নেতাকর্মী, অন্তর্বর্তী সরকারের মূল্যায়ন এবং বর্তমানে সরকারে অংশীদার হওয়ার পর তাদের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেছেন। গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ/ছবি: আশিকুজ্জামান যেখানে শুরু থেকে দলটির সঙ্গে থাকা এই নেতা দলীয় পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, আন্দোলনের সময় সারা দেশে গণঅধিকার পরিষদ ছাড়াও যুব অধিকার পরিষদ, ছাত্র অধিকার পর
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে দেশে এখনো চলছে নানান রাজনৈতিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ। কে কতটা ভূমিকা রেখেছে, কোন শক্তি আন্দোলনের সূচনায় ছিল, আবার কারা শেষ পর্যন্ত রাজপথে থেকে আন্দোলনকে সরকার পতনের দিকে নিয়ে গেছে—এসব প্রশ্ন এখনো আলোচনায়। এই আলোচনার মধ্যেই নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)।
দলটির দাবি, ২০২৪ সালের আন্দোলন হঠাৎ করে হয়নি। এর শিকড় ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে। সেই আন্দোলনের ‘লিগ্যাসি’ বহন করার কারণেই শুরু থেকেই তারা এটিকে নিজেদের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখেছে।
জাগো নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দলের মুখপাত্র আবু হানিফ আন্দোলনের সূচনা, রাজপথের ভূমিকা, দলীয় নির্দেশনা, গ্রেফতার-নির্যাতনের অভিজ্ঞতা, আন্দোলনে হতাহত নেতাকর্মী, অন্তর্বর্তী সরকারের মূল্যায়ন এবং বর্তমানে সরকারে অংশীদার হওয়ার পর তাদের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেছেন।
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ/ছবি: আশিকুজ্জামান
যেখানে শুরু থেকে দলটির সঙ্গে থাকা এই নেতা দলীয় পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, আন্দোলনের সময় সারা দেশে গণঅধিকার পরিষদ ছাড়াও যুব অধিকার পরিষদ, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও শ্রমিক অধিকার পরিষদ মিলিয়ে ১২ জন পদধারী নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। তার দাবি, আন্দোলনে দলটির পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। প্রায় ২০ জন নেতাকর্মী আটক হন।
‘২০১৮ সালের অর্জন রক্ষার লড়াই’ হিসেবেই শুরু দেখেছিল দলটি
আবু হানিফ বলেন, গণঅধিকার পরিষদের জন্মই হয়েছে ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে। ফলে ২০২৪ সালের ৫ জুন আদালতের রায়ে সেই আন্দোলনের পরিপত্র কার্যত বাতিল হওয়ার পর তারা এটিকে নিজেদের রাজনৈতিক অর্জনের ওপর আঘাত হিসেবে দেখেন।
তার ভাষায়, যদি সেই পরিপত্র বাতিল হয়ে যেত, তাহলে ২০১৮ সালের আন্দোলনের যে সফলতা তারা মানুষের কাছে তুলে ধরেন, সেটিই প্রশ্নের মুখে পড়ত। তাই আন্দোলনের শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য ছিল ওই রায় বাতিল এবং কোটা সংস্কারের দাবি পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি জানান, ৫ জুন সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র অধিকার পরিষদের ব্যানারে প্রথম কর্মসূচি আয়োজন করে তারাই। এরপর সাধারণ শিক্ষার্থীরা একই দাবিতে কর্মসূচি দেয়। সারা দেশের নেতাকর্মীদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল- যে ব্যানারেই আন্দোলন হোক, সেটিকে সফল করতে হবে।
‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ছাত্র অধিকার পরিষদের কর্মীরা ছিল’
দলটির দাবি, আন্দোলনকে অরাজনৈতিক রাখতে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ ব্যানার ব্যবহার করা হলেও মাঠপর্যায়ের নেতৃত্বে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার পর আন্দোলনের চরিত্রই বদলে যায়। এরপর আর এটি শুধু কোটা সংস্কারের আন্দোলন ছিল না। ১৮ জুলাই নাগাদ সরকার আন্দোলনকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিলে আন্দোলন সরকার পতনের দাবিতে রূপ নেয়। - গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ
আবু হানিফ বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন ইউনিটে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা সামনের সারিতে ছিলেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন আন্দোলন করার অভিজ্ঞতা থাকায় তাদের সাংগঠনিক কর্মীরা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।
১৫ জুলাইয়ের হামলার পর বদলে যায় আন্দোলনের চরিত্র
দলের মুখপাত্র আবু হানিফ বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার পর আন্দোলনের চরিত্রই বদলে যায়। এরপর আর এটি শুধু কোটা সংস্কারের আন্দোলন ছিল না। ১৮ জুলাই নাগাদ সরকার আন্দোলনকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিলে আন্দোলন সরকার পতনের দাবিতে রূপ নেয়। তখন রাজনৈতিক দলগুলোও শিক্ষার্থীদের পেছন থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে শুরু করে।
‘নুরের নির্দেশ ছিল, গ্রেফতার হলেও আন্দোলন থামবে না’
আবু হানিফ জানান, ১৯ জুলাই রাতে দলীয় সভাপতি নুরুল হক নুর তাকে ফোন ও বার্তা পাঠিয়ে আন্দোলন সারা দেশে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। নুর আগেই আশঙ্কা করেছিলেন যে তাকে যে কোনো সময় গ্রেফতার করা হতে পারে। তাই তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, কেউ আটক হলেও পরবর্তী নেতৃত্ব যেন আন্দোলন চালিয়ে যায়। পরদিন ভোরে নুর গ্রেফতার হন বলে জানান তিনি।
এমন একটি ছোট্ট কক্ষে রাখা হয়, যেটিকে তিনি পরে জানতে পারেন ‘আয়নাঘর’ ছিল। সেখানে দুদিন আটকে রাখা হয়। এরপর আদালতে না নিয়েই কারাগারে পাঠানো হয়। - আবু হানিফ
যাত্রাবাড়ী থেকে ‘আয়নাঘর’- মুখপাত্রের নির্যাতনের বর্ণনা
আন্দোলনের সময় নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আবু হানিফ বলেন, যাত্রাবাড়ী এলাকায় সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষ হয়েছিল এবং তার সামনেই বহু মানুষ নিহত হন। ওই সময়ে দলীয় তহবিল থেকে আন্দোলনকারীদের জন্য খাবার ও পানির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে ২৬ জুলাই রাতে নারায়ণগঞ্জের বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এরপর তাকে একটি নির্যাতন কেন্দ্রে নেওয়া হয় দাবি করে বলেন, চোখ বেঁধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ ও অর্থায়নের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় এবং শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।
তার দাবি, পরে তাকে এমন একটি ছোট্ট কক্ষে রাখা হয়, যেটিকে তিনি পরে জানতে পারেন ‘আয়নাঘর’ ছিল। সেখানে দুদিন আটকে রাখা হয়। এরপর আদালতে না নিয়েই কারাগারে পাঠানো হয়। পরে আদালতে তার আট দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও তা মঞ্জুর হয়নি।
‘১২ নেতা শহীদ, আহত পাঁচ শতাধিক’
দলীয় পরিসংখ্যান তুলে ধরে আবু হানিফ বলেন, আন্দোলনের সময় সারা দেশে গণঅধিকার পরিষদের প্রায় ২০ জন নেতাকর্মী আটক হন।
এছাড়া যুব অধিকার পরিষদ, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও শ্রমিক অধিকার পরিষদ মিলিয়ে ১২ জন পদধারী নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তার দাবি, আন্দোলনে দলটির পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
আন্দোলনের সময় দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কী পরিমাণ মামলা হয়েছিল, সে বিষয়ে কোনো পরিসংখ্যান সংরক্ষণ করা হয়েছিল কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে আবু হানিফ বলেন, এ ধরনের কোনো পৃথক পরিসংখ্যান দলীয়ভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। তবে তার দাবি, ওই সময় আটক হওয়া বেশিরভাগ নেতাকর্মীকে নতুন মামলা না দিয়ে আগের বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল। সে কারণে মামলা-সংক্রান্ত নির্দিষ্ট হিসাব সংরক্ষণের সুযোগও হয়নি।
তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের হামলা, মামলা ও পারিবারিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। তবে ২০১৮ সালের পর থেকে ধারাবাহিক আন্দোলনের অভিজ্ঞতা থাকায় সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে আন্দোলন চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে হতাশা
গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের মূল্যায়নে সন্তুষ্ট নন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র। তার অভিযোগ, সরকারের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা ছিল গণঅভ্যুত্থানের বিচার, আহতদের চিকিৎসা এবং নিহত পরিবারের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা। কিন্তু সরকার সে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
তিনি বলেন, আহতদের অনেককে দীর্ঘ সময় পর বিদেশে চিকিৎসা নিতে পাঠানো হয়েছে। আবার শহীদদের সঠিক তালিকা এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলনের বিভিন্ন অংশীজনকে সমানভাবে মূল্যায়ন না করে কিছু গোষ্ঠীকে বেশি সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং গণঅধিকার পরিষদকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
‘জুলাইয়ের একক কোনো নায়ক নেই’
গণঅধিকার পরিষদের অবস্থান অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের কৃতিত্ব নয়। দলটির মতে, এটি ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিক ফল।
তাই দলটি জুলাই ঘোষণাপত্র বা জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর অবদান যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছে।
রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান ‘জুলাই যোদ্ধাদের’
আন্দোলনে কারাবরণকারী, আহত এবং নিহতদের পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ।
বিএনপির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক যুগপৎ আন্দোলনের ধারাবাহিকতার ফল। তবে জাতীয় সরকারের ধারণা বাস্তবায়ন করতে হলে শুধু একজন প্রতিমন্ত্রী নয়, শরিক দলগুলোর যোগ্য নেতাদেরও সরকারে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। - গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ
এছাড়া আন্দোলনের সময় প্রবাসীদের ‘রেমিট্যান্স শাটডাউন’র ভূমিকাকেও রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটির অঙ্গসংগঠন।
সরকারে থেকেও বিএনপির কাছে আরও প্রতিনিধিত্বের দাবি
বর্তমানে সরকারে অংশীদার হলেও নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে দলটি। আবু হানিফ বলেন, বিএনপির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক যুগপৎ আন্দোলনের ধারাবাহিকতার ফল। তবে জাতীয় সরকারের ধারণা বাস্তবায়ন করতে হলে শুধু একজন প্রতিমন্ত্রী নয়, শরিক দলগুলোর যোগ্য নেতাদেরও সরকারে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
তার ভাষায়, জোটের শরিকদের যথাযথ মূল্যায়ন না করলে ভবিষ্যতে বিএনপিকে রাজনৈতিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে।
‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি’
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মূল্যায়ন দিতে গিয়ে গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। দীর্ঘদিনের কর্তৃত্ববাদী শাসনের কারণে রাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে পড়েছিল। সেই বাস্তবতায় পরিবর্তন আনতে সময় লাগবে।
তিনি জাগো নিউজকে বলেন, বর্তমান সরকারকে বৈষম্য দূর করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অর্থনৈতিক সংকট ও ভঙ্গুর রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্যেও ধীরে ধীরে সংস্কারের মাধ্যমে জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এমডিএএ/এমআরএম/ এমএফএ
What's Your Reaction?


