নেইমারসহ জাতীয় দলের দরজা বন্ধ হয়ে গেল যাদের, স্পষ্ঠ করলেন আনচেলত্তি
২০২৬ বিশ্বকাপে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে। বহু প্রতীক্ষিত ‘হেক্সা’ মিশন ব্যর্থ হওয়ার পর এখন সামনে তাকাতে চাইছেন কার্লো আনচেলত্তি। বিশ্বকাপ-পরবর্তী পরিকল্পনায় নতুন প্রজন্মের ওপর আস্থা রাখার ইঙ্গিত দিয়ে ব্রাজিল কোচ জানিয়ে দিয়েছেন, নেইমার, দানিলো ও কাসেমিরোর জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন। বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে হেরে বিদায় নেওয়ার ২৪ দিন পর ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবোএসপোর্তে–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের প্রথম বছরের কাজের মূল্যায়ন করেন আনচেলত্তি। একই সঙ্গে স্বীকার করেন, বিশ্বকাপে কৌশলগত কিছু ভুলও ছিল তার। ‘এই বিশ্বকাপের মাধ্যমে ব্রাজিলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজন্মের সমাপ্তি ঘটেছে। নেইমার, দানিলো, কাসেমিরো—বিশ্বকাপে ৩০ বছরের বেশি বয়সী যেসব খেলোয়াড় ছিলেন, তাদের সময় শেষ হয়েছে,’ বলেন ব্রাজিল কোচ। এই তিনজনের মধ্যে নেইমার জুনিয়র গতকালই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ৩৫ বছর বয়সী দানিলো ও ৩৪ বছর বয়সী কাসেমিরো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা না দিলেও আনচেলত্তির বক্তব্যে পরিষ্কার, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তাদের আর রাখা হচ্ছে ন
২০২৬ বিশ্বকাপে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে। বহু প্রতীক্ষিত ‘হেক্সা’ মিশন ব্যর্থ হওয়ার পর এখন সামনে তাকাতে চাইছেন কার্লো আনচেলত্তি। বিশ্বকাপ-পরবর্তী পরিকল্পনায় নতুন প্রজন্মের ওপর আস্থা রাখার ইঙ্গিত দিয়ে ব্রাজিল কোচ জানিয়ে দিয়েছেন, নেইমার, দানিলো ও কাসেমিরোর জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন।
বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে হেরে বিদায় নেওয়ার ২৪ দিন পর ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবোএসপোর্তে–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের প্রথম বছরের কাজের মূল্যায়ন করেন আনচেলত্তি। একই সঙ্গে স্বীকার করেন, বিশ্বকাপে কৌশলগত কিছু ভুলও ছিল তার।
‘এই বিশ্বকাপের মাধ্যমে ব্রাজিলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজন্মের সমাপ্তি ঘটেছে। নেইমার, দানিলো, কাসেমিরো—বিশ্বকাপে ৩০ বছরের বেশি বয়সী যেসব খেলোয়াড় ছিলেন, তাদের সময় শেষ হয়েছে,’ বলেন ব্রাজিল কোচ।
এই তিনজনের মধ্যে নেইমার জুনিয়র গতকালই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ৩৫ বছর বয়সী দানিলো ও ৩৪ বছর বয়সী কাসেমিরো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা না দিলেও আনচেলত্তির বক্তব্যে পরিষ্কার, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তাদের আর রাখা হচ্ছে না।
এখন ব্রাজিলের চোখ ২০২৮ কোপা আমেরিকার দিকে। আনচেলত্তির ভাষায়, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য এখন ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকার জন্য একটি নতুন ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ দল তৈরি করা। এমন কিছু নতুন খেলোয়াড় খুঁজে বের করব, যারা দ্রুত দলে এসে অবদান রাখতে পারবে। আমি ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের কথা বলছি না। প্রথম লক্ষ্য ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকায় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা।’
গোলকিপারের জায়গাতেও ভবিষ্যতের কথা ভাবছেন আনচেলত্তি। আলিসন ও এডারসনের অভিজ্ঞতার প্রশংসা করলেও নতুন প্রতিভা খুঁজে দেখার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছেন তিনি, ‘আমার মনে হয় আমাদের নতুন গোলকিপারদের দেখা উচিত। ব্রাজিলিয়ান লিগে তরুণ গোলকিপাররা খেলছেন। নতুন গোলকিপারদের নিয়ে খুব সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করাই আমাদের পরিকল্পনা।’
What's Your Reaction?