নৌকায় বুড়িগঙ্গার মাঝখানে নিয়ে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৪ জনের যাবজ্জীবন
জোরপূর্বক নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল। আজ রোববার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বিকালে ২৫ বছর বয়সী ভুক্তভোগী তরুণী তার এক বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন আশ্রাফাবাদ এলাকায় বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন আসামি তাকে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গার মাঝখানে নিয়ে যান এবং সেখানে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে একটি বাড়ির কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ চার আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলার বিচার চলাকালে আটজন বিভিন্ন সময়ে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।
জোরপূর্বক নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল।
আজ রোববার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বিকালে ২৫ বছর বয়সী ভুক্তভোগী তরুণী তার এক বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন আশ্রাফাবাদ এলাকায় বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন আসামি তাকে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গার মাঝখানে নিয়ে যান এবং সেখানে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে একটি বাড়ির কক্ষে আটকে রাখা হয়।
পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ চার আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করে।
মামলার বিচার চলাকালে আটজন বিভিন্ন সময়ে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।
What's Your Reaction?