পঞ্চগড়ে নদীতে ডুবে প্রাণ গেল ২ শিশুর

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।  শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চেংঠীহাজরা ডাংগা ইউনিয়নের লক্ষ্মী নারায়নী বালাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে বিকেল তিনটার দিকে এক শিশুর এবং সাড়ে চারটার দিকে অপর শিশুর মরদেহ ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন, দেবীগঞ্জ উপজেলার চেংঠীহাজরা ডাংগা এলাকার রাশেদ হকের ছেলে রাজু ইসলাম (১০) এবং দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার বাজিতপুর এলাকার হাসিনুর রহমানের ছেলে লাম্মিম হোসেন (১৩)। তারা সম্পর্কে মামাতো ফুফাতো ভাই। জানা গেছে, রাজু ইসলাম স্থানীয় ফুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এবং লাম্মিম হোসেন ফুলতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।  পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে তারা করতোয়া নদীতে গোসল করতে নামে। রাজু সাঁতার না জানায় সে লাম্মিমের সঙ্গে নদীতে নামে। এক পর্যায়ে রাজু পানিতে ডুবে যেতে থাকলে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে লাম্মিমও নদীর গভীরে তলিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যর

পঞ্চগড়ে নদীতে ডুবে প্রাণ গেল ২ শিশুর
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।  শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চেংঠীহাজরা ডাংগা ইউনিয়নের লক্ষ্মী নারায়নী বালাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে বিকেল তিনটার দিকে এক শিশুর এবং সাড়ে চারটার দিকে অপর শিশুর মরদেহ ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন, দেবীগঞ্জ উপজেলার চেংঠীহাজরা ডাংগা এলাকার রাশেদ হকের ছেলে রাজু ইসলাম (১০) এবং দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার বাজিতপুর এলাকার হাসিনুর রহমানের ছেলে লাম্মিম হোসেন (১৩)। তারা সম্পর্কে মামাতো ফুফাতো ভাই। জানা গেছে, রাজু ইসলাম স্থানীয় ফুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এবং লাম্মিম হোসেন ফুলতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।  পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে তারা করতোয়া নদীতে গোসল করতে নামে। রাজু সাঁতার না জানায় সে লাম্মিমের সঙ্গে নদীতে নামে। এক পর্যায়ে রাজু পানিতে ডুবে যেতে থাকলে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে লাম্মিমও নদীর গভীরে তলিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে নদীর পাড়ে তাদের জুতা দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের নিয়ে নদীতে অনুসন্ধান চালানো হয়। বিকেল তিনটার দিকে রাজুর মরদেহ উদ্ধার করা হলেও তখনো লাম্মিমের সন্ধান মেলেনি। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় তার মরদেহও উদ্ধার করা হয়। দেবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী স্টেশন অফিসার মো. মাইনুদ্দিন জানান, স্থানীয়দের সহায়তায় প্রথমে একজনকে উদ্ধার করা হলেও অন্যজনকে পরে তাদের দল উদ্ধার করে। দেবীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক সচীন চন্দ্র রায় বলেন, পারিবারিক কারণে লাম্মিম মায়ের সঙ্গে না থেকে মামার বাড়িতে থাকত। ছোটোবেলা থেকেই তারা একসঙ্গে বড় হয়েছে। গোসল করতে গিয়ে এ দুর্ঘটনায় দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে। দেবীগঞ্জ থানার ওসি সেলিম মালিক জানান, সুরতহাল শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow