পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ
ভাঙন রোধ ও সেতুকে ভাঙনের কবল থেকে বাঁচানোর জন্য পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। জনস্বার্থে রোববার (২ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো.গোলাম রহমান ভূইয়ার পাঠানো লিগ্যাল নোটিশে সড়ক পরিবহন ও সেতু সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব, সেতু কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালকসহ ১৯ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। আইনজীবী মো. গোলাম রহমান ভূইয়া জানান, সম্প্রতি পদ্মা নদী থেকে অপরিকল্পিত ও অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে তীব্র ভাঙন দেখা দিচ্ছে। ফলে, প্রতিবছর শরীয়তপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুরের মতো নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে শত শত হেক্টর ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আরও পড়ুন পদ্মা নদীতে স্পিডবোট নিয়ে ঘুরতে গিয়ে যুবক গুলিবিদ্ধ বালু উত্তোলনের ফলে কৃষিজমির ক্ষতির কারণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তীরবর্তী ভাঙন, বালুচাপা পড়া, ইজারার শর্ত লঙ্গন ও প্রশাসনের দুর্বলতা। বালু উত্তোলনে পদ্মা সেতুও হুমকির মুখে পড়ছে এবং এসব হুমকির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-স্
ভাঙন রোধ ও সেতুকে ভাঙনের কবল থেকে বাঁচানোর জন্য পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
জনস্বার্থে রোববার (২ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো.গোলাম রহমান ভূইয়ার পাঠানো লিগ্যাল নোটিশে সড়ক পরিবহন ও সেতু সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব, সেতু কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালকসহ ১৯ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।
আইনজীবী মো. গোলাম রহমান ভূইয়া জানান, সম্প্রতি পদ্মা নদী থেকে অপরিকল্পিত ও অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে তীব্র ভাঙন দেখা দিচ্ছে। ফলে, প্রতিবছর শরীয়তপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুরের মতো নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে শত শত হেক্টর ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
বালু উত্তোলনের ফলে কৃষিজমির ক্ষতির কারণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তীরবর্তী ভাঙন, বালুচাপা পড়া, ইজারার শর্ত লঙ্গন ও প্রশাসনের দুর্বলতা। বালু উত্তোলনে পদ্মা সেতুও হুমকির মুখে পড়ছে এবং এসব হুমকির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-স্রোতের গতিপথ পরিবর্তন, পিলারের ভারসাম্য নষ্ট ও তীর রক্ষা বাধে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
আইন অনুযায়ী কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারী স্থাপনা যেমন-সেতু, বাঁধ, কালভার্ট ও আশেপাশে এলাকা থেকে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু, নিয়ম অমান্য করে কিছু প্রভাবশালী চক্রের অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্পগুলো হুমকির মুখে পড়ছে এবং এতে করে পদ্মা সেতু ভেঙে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে গত ৮ জুলাই আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন ‘মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থা-মওসুস’ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবর পদ্মা সেতুকে ভাঙনের কবল থেকে বাঁচানোর জন্য আবেদন করে। কিন্তু, ১০ দিন সময় দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।
তিনি আরও জানান, মওসুসের পক্ষে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর পদ্মায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে এবং ফসলি জমি বিলীন, পদ্মার তীর ভাঙন রোধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে পদ্মা সেতুকে ভাঙনের কবল থেকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।
এফএইচ/এএমএ
What's Your Reaction?
