পদ্মা নদীতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্র নকিবুল ইসলাম নকিবের মৃত্যু হয়েছে। সে ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সে বাহিরচর ইউনিয়নের ১২ মাইল এলাকার আবুল বাশার মাস্টারের একমাত্র ছেলে। পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রমজান মাসের রোজা অবস্থায় নকিব (১৪) তার বন্ধু সায়েম এবং ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া খালাতো ভাই জুনায়েদকে সঙ্গে নিয়ে বিকেল ৪টার পর ১২ মাইল বালুরঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায়। তারা প্রথমে একটি খালি ডিঙি নৌকায় করে নদীর একপাড় থেকে অন্য পাড়ে যায়। এরপর নদীর কিনারায় এসে গোসল শুরু করে। বেশ কিছুক্ষণ গোসলের পর জুনায়েদ ও সায়েম নদী থেকে উপড়ে উঠে আসে। এসময় তারা লক্ষ্য করে নকিব ধীরে ধীরে গভীর পানিতে চলে যাচ্ছে। সাঁতার না জানার কারণে সে একসময় পানিতে ডুবে যায়। নকিবের খালাতো ভাই জুনায়েদ বলেন, বিকেল ৫টার পর গোসল শেষ করে সে ও সায়েম উপরে উঠে আসেন। কিন্তু নকিব নদী থেকে না উঠে আরও গভীর পানিতে চলে যান। সাঁতার না জানার কারণে সে ডুবতে শুরু
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্র নকিবুল ইসলাম নকিবের মৃত্যু হয়েছে। সে ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সে বাহিরচর ইউনিয়নের ১২ মাইল এলাকার আবুল বাশার মাস্টারের একমাত্র ছেলে।
পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রমজান মাসের রোজা অবস্থায় নকিব (১৪) তার বন্ধু সায়েম এবং ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া খালাতো ভাই জুনায়েদকে সঙ্গে নিয়ে বিকেল ৪টার পর ১২ মাইল বালুরঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায়। তারা প্রথমে একটি খালি ডিঙি নৌকায় করে নদীর একপাড় থেকে অন্য পাড়ে যায়। এরপর নদীর কিনারায় এসে গোসল শুরু করে। বেশ কিছুক্ষণ গোসলের পর জুনায়েদ ও সায়েম নদী থেকে উপড়ে উঠে আসে। এসময় তারা লক্ষ্য করে নকিব ধীরে ধীরে গভীর পানিতে চলে যাচ্ছে। সাঁতার না জানার কারণে সে একসময় পানিতে ডুবে যায়।
নকিবের খালাতো ভাই জুনায়েদ বলেন, বিকেল ৫টার পর গোসল শেষ করে সে ও সায়েম উপরে উঠে আসেন। কিন্তু নকিব নদী থেকে না উঠে আরও গভীর পানিতে চলে যান। সাঁতার না জানার কারণে সে ডুবতে শুরু করে। সায়েম তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়। পরিস্থিতি দেখে জুনায়েদ চিৎকার করলে স্থানীয় জেলেরা ডিঙি নৌকা নিয়ে এগিয়ে আসেন। তারা সায়েমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও নকিব গভীর পানিতে ডুবে যান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় নকিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নকিবের চাচা স্থানীয় সাংবাদিক ও ১২ মাইল দাখিল মাদ্রাসার পরিচালক মাসুদ করিম বলেন, সে আমার ভাইয়ের একমাত্র সন্তান। পদ্মা নদীতে গোসল করতে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটবে কখনও স্বপ্নেও ভাবিনি। পরিবার ও মনকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।
ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলেও এটি একটি অপমৃত্যুর ঘটনা হিসেবে তদন্ত করা হবে। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হবে।
What's Your Reaction?