পবিত্র রমজানের তারিখ ঘোষণা করল বৃহত্তম মুসলিম দেশ

পবিত্র রমজান শুরুর তারিখ ঘোষণা করেছে ইন্দোনেশিয়া। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম মুসলিমপ্রধান দেশটিতে প্রথম রোজা হবে বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি। দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রমজান মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে পরদিন বুধবার সন্ধ্যার পর রমজান মাস শুরু হবে। এবং বৃহস্পতিবার হবে প্রথম রোজা। মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের চাঁদ দেখার বৈঠকে বিভিন্ন প্রদেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। তবে কোথাও রমজানের চাঁদ দৃশ্যমান না হওয়ায় জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব ও শরিয়াহভিত্তিক সিদ্ধান্তের আলোকে ১৯ ফেব্রুয়ারিকেই  প্রথম রোজার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণত দুটি প্রধান ইসলামী সংগঠন ও সরকারি কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে রমজানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। দেশটির বিস্তীর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা ভিন্ন হতে পারে। তবুও কেন্দ্রীয় ঘোষণার মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে রমজান পালনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। রমজান উপলক্ষে রাজধানী জাকার্তাসহ বিভিন্ন শহরে ইতোমধ্যে মসজিদগুলোতে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ব

পবিত্র রমজানের তারিখ ঘোষণা করল বৃহত্তম মুসলিম দেশ

পবিত্র রমজান শুরুর তারিখ ঘোষণা করেছে ইন্দোনেশিয়া। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম মুসলিমপ্রধান দেশটিতে প্রথম রোজা হবে বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি। দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রমজান মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে পরদিন বুধবার সন্ধ্যার পর রমজান মাস শুরু হবে। এবং বৃহস্পতিবার হবে প্রথম রোজা।

মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের চাঁদ দেখার বৈঠকে বিভিন্ন প্রদেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। তবে কোথাও রমজানের চাঁদ দৃশ্যমান না হওয়ায় জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব ও শরিয়াহভিত্তিক সিদ্ধান্তের আলোকে ১৯ ফেব্রুয়ারিকেই  প্রথম রোজার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণত দুটি প্রধান ইসলামী সংগঠন ও সরকারি কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে রমজানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। দেশটির বিস্তীর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা ভিন্ন হতে পারে। তবুও কেন্দ্রীয় ঘোষণার মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে রমজান পালনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।

রমজান উপলক্ষে রাজধানী জাকার্তাসহ বিভিন্ন শহরে ইতোমধ্যে মসজিদগুলোতে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বাজারগুলোতে ইফতার ও সেহরির সামগ্রীর চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে খেজুর, ফল, চাল, চিনি ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের উপকরণের বিক্রি বেড়েছে।

সূত্র: গালফ নিউজ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow