পরিকল্পিত রাস্তায় অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা: ২০ মিনিটের বৃষ্টিতেই ‘নদী’ ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক

পরিকল্পিত রাস্তা, কিন্তু ব্যবস্থাপনা চরম অপরিকল্পিত। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই মহাসড়ক রূপ নিচ্ছে নদীতে, আর সেই পানির ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। দ্রুতগতীর ট্রাক-বাস যাওয়ায় পাঠি ছিটে ভিজে যাচ্ছে ছোটগাড়ির যাত্রি ও পথচারী। এ থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও সাধারণ চালকেরা। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাত্র ২০ মিনিটের আকস্মিক বৃষ্টিতে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শেরপুর অংশের হামছায়াপুর ও ধর্মকাম এলাকায় এমন নজিরবিহীন জলজট দেখা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাত্র ২০ মিনিটের মাঝারি বর্ষণেই মহাসড়কের এই দুটি পয়েন্টে হাঁটু পানি জমে যায়। মহাসড়কের পাশে কোনো কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হতে পারছে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে রাস্তাটি যেন কোনো এক প্রমত্তা নদীতে পরিণত হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জমে থাকা ময়লা পানির মধ্য দিয়েই হেলেদুলে চলছে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও স্থানীয় যানবাহন। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলগুলো পানির মধ্যে বিকল হয়ে পড়ছে। পথচারীদের জুতো হাতে নিয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে পার হতে হচ্ছে রাস্তা। ভোক্তভো

পরিকল্পিত রাস্তায় অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা: ২০ মিনিটের বৃষ্টিতেই ‘নদী’ ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক

পরিকল্পিত রাস্তা, কিন্তু ব্যবস্থাপনা চরম অপরিকল্পিত। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই মহাসড়ক রূপ নিচ্ছে নদীতে, আর সেই পানির ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। দ্রুতগতীর ট্রাক-বাস যাওয়ায় পাঠি ছিটে ভিজে যাচ্ছে ছোটগাড়ির যাত্রি ও পথচারী। এ থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও সাধারণ চালকেরা। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাত্র ২০ মিনিটের আকস্মিক বৃষ্টিতে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শেরপুর অংশের হামছায়াপুর ও ধর্মকাম এলাকায় এমন নজিরবিহীন জলজট দেখা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাত্র ২০ মিনিটের মাঝারি বর্ষণেই মহাসড়কের এই দুটি পয়েন্টে হাঁটু পানি জমে যায়। মহাসড়কের পাশে কোনো কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হতে পারছে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে রাস্তাটি যেন কোনো এক প্রমত্তা নদীতে পরিণত হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জমে থাকা ময়লা পানির মধ্য দিয়েই হেলেদুলে চলছে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও স্থানীয় যানবাহন। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলগুলো পানির মধ্যে বিকল হয়ে পড়ছে। পথচারীদের জুতো হাতে নিয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে পার হতে হচ্ছে রাস্তা। ভোক্তভোগী পথচারী আশরাফ, আনোয়ার, রফিকসহ অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাস্তা ফোরলেন হয়েছে, দেখতে সুন্দর লাগছে। কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলেই যদি ড্রেন না থাকার কারণে আমাদের এভাবে ডুব সাঁতার দিয়ে রাস্তা পার হতে হয়, তবে এই উন্নয়নের লাভ কী? ২০ মিনিটের বৃষ্টিতেই যদি এই হাল হয়, তবে আরো বেশি বৃষ্টি হলে আমাদের কী দশা হবে? এলাকাবাসীর অভিযোগ, মহাসড়কটি আধুনিকায়নের কাজ করা হলেও ড্রেন নির্মানও হয়েছে। কিন্তু সম্পূর্ণ ক্লিয়ার হয়নি পানি নিষ্কাশনের জন্য। এর ফলে চারপাশের পানি এসে মহাসড়কে জমা হচ্ছে, কিন্তু তা নেমে যাওয়ার কোনো পথ নেই। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে পানি জমে থাকছে এবং পিচঢালা সড়কটি দ্রুত নষ্ট হওয়ার উপক্রম হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান বলেন, সাসেক ২ এর সঙ্গে কথা বলে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করে মহাসড়কের এই জলজট ও জনদুর্ভোগ নিরসন করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow