পরিত্যক্ত গুদাম থেকে সাড়ে ১১ হাজার বস্তা চাল জব্দ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পরিত্যক্ত গুদাম থেকে ১১ হাজার ৫৬০ বস্তা (৫৭৮ টন চাল) জব্দ করেছে র্যাব-৭ (র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন)। এ সময় আবদুল আজিজ নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে উপজেলার ভাটিয়ারি এলাকার সালেহ্ কার্পেট নামক জুটমিলের পরিত্যক্ত গুদাম থেকে এসব চাল জব্দ করা হয়। আটক আবদুল আজিজ মীরশ্বরাই উপজেলা বড় দারগারো হাট এলাকা মৃত কামাল উদ্দিনের ছেলে।
জানা গেছে, বড় ধরনের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাল কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ডিজিএফআই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে সালেহ্ কার্পেট জুট মিলের পরিত্যক্ত গুদাম থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের বস্তাসহ বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়।
আরও জানা গেছে, জব্দ চালের মধ্যে খাদ্য অধিদপ্তরের ৫৮ টন, বাকি ৫২০ টন চাল ছিল অন্য মোড়কের। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা। খাদ্য অধিদপ্তরের চালগুলো পরিত্যক্ত গুদামের মধ্যে এনে ভিন্ন মোড়কজাত করে সেগুলো বাজারে বিক্রি করত।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন— চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেন,
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পরিত্যক্ত গুদাম থেকে ১১ হাজার ৫৬০ বস্তা (৫৭৮ টন চাল) জব্দ করেছে র্যাব-৭ (র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন)। এ সময় আবদুল আজিজ নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে উপজেলার ভাটিয়ারি এলাকার সালেহ্ কার্পেট নামক জুটমিলের পরিত্যক্ত গুদাম থেকে এসব চাল জব্দ করা হয়। আটক আবদুল আজিজ মীরশ্বরাই উপজেলা বড় দারগারো হাট এলাকা মৃত কামাল উদ্দিনের ছেলে।
জানা গেছে, বড় ধরনের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাল কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ডিজিএফআই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে সালেহ্ কার্পেট জুট মিলের পরিত্যক্ত গুদাম থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের বস্তাসহ বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়।
আরও জানা গেছে, জব্দ চালের মধ্যে খাদ্য অধিদপ্তরের ৫৮ টন, বাকি ৫২০ টন চাল ছিল অন্য মোড়কের। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা। খাদ্য অধিদপ্তরের চালগুলো পরিত্যক্ত গুদামের মধ্যে এনে ভিন্ন মোড়কজাত করে সেগুলো বাজারে বিক্রি করত।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন— চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেন, র্যাব-৭ চট্টগ্রাম চাদগাঁও ক্যাম্পের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. তাওহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম র্যাব-৭ হাটহাজারীর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সাইফুর রহমান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (চট্টগ্রাম)-এর কর্মকর্তা রাজিব কুমার দেসহ পুলিশের একটি টিম।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক চট্টগ্রাম এর কর্মকর্তা রাজিব কুমার দে বলেন, যিনি চালগুলো মজুত করেছেন তিনি লাইসেন্স এবং ক্রয়ের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
র্যাব-৭ চট্টগ্রাম চাদগাঁও ক্যাম্পের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. তাওহিদুল ইসলাম বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের চাল লাইসেন্স ছাড়া মজুত করে ভিন্ন মোড়কে বাজারজাত করা হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে যারা জড়িত তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।
চট্টগ্রাম জেলা সরকারি কমিশনার ভূমি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেন বলেন, লাইসেন্স ছাড়া সরকারি চাল বিক্রি করছে এটাই হচ্ছে মূল অপরাধ। ধারণা করা হচ্ছে, এই চক্রের সঙ্গে বড় একটি চক্র জড়িত। এ ব্যাপারে আইনিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।